Uncategorized

আসন্ন সংকট মোকাবেলায় সরকারকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে

জেমস আব্দুর রহিম রানা,কলামিস্গট ও ণমাধ্যমকর্মীঃ
চলমান এবং আসন্ন দুর্ভিক্ষ ও খাদ্য সঙ্কট মোকাবেলায় সরকার যেসব প্রণোদনামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সেক্ষেত্রে যদি আগের মতো দুর্নীতি হয়, তাহলে কোনোভাবেই সঙ্কট মোকাবেলা করা যাবে না। বোরো মৌসুমে যদি কৃষক প্রণোদনা এবং পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, সার ও জ্বালানি তেল না পায়, তাহলে উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে।

দেশে শুধু খাদ্য সঙ্কটই নয়, শীত মৌসুমে নিম্ন ও প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠীকে শীত ও রোগবালাই থেকে রক্ষার ব্যবস্থা আগেভাগেই নেয়া জরুরি। তা নাহলে, খাদ্য সঙ্কটের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করবে। খাদ্য সঙ্কট মোকাবেলায় শীত মৌসুমকে ভালভাবে কাজে লাগানোর ব্যাপক উদ্যোগ নিতে হবে। এ সময়ে কৃষক যে শাক-সবজি ও রবি শস্য ফলায়, তা যাতে অধিক হারে উৎপাদিত হয়, এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বোরো আবাদে যাতে কৃষক কোনো ধরনের সঙ্কটের মুখোমুখি না হয় এজন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল, সার ও বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বলা বাহুল্য, আমদানি করে খাদ্য সঙ্কট মোকাবেলা করা যাবে না। এজন্য খাদ্য উৎপাদনের দিকে সবচেয়ে জোর দিতে হবে। এ কথাও স্মরণে রাখতে হবে, এখন কৃষক, মৎস্যচাষী ও পশু খামারিসহ খাদ্য উৎপাদনের সাথে জড়িতদের কাছে নগদ অর্থ নেই। অর্থ সঙ্কটের কারণে অনেকে হাত গুটিয়ে বসে আছে। এদেরকে উৎপাদনমুখী করতে হলে নগদ অর্থ তাদের হাতে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। মোট কথা, সকল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button