শিরোনাম :
উপ-নিবার্চন উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে আসেন মাহবুব উল আলম হানিফ চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় মূখ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবাসায়ী মূখলেস আ’লীগের সহ-সভাপতি মনোনীত কলসকাঠীতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা পরিবেশ শর্ত ভঙ্গের দায়ে সীতাকুণ্ডের কেএসএ স্ট্রীল ও সীমা স্ট্রীল কে ৫ লক্ষ ২০হাজার টাকা জরিমানা সেতুবন্ধন কল্যাণ সমবায় সমিতির নতুন সভাপতি রেজাউল সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত খুলনার বটিয়াঘাটায় ভূমি অফিস দালাল নির্মূলে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ জনকে জরিমানা চৌহদ্দিটোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩,
“হিউম্যান ডগ” ভাইরাল হওয়া ছবিটির রহস্য ফাঁস ।

“হিউম্যান ডগ” ভাইরাল হওয়া ছবিটির রহস্য ফাঁস ।

বিবিএস নিউজ ডেস্কঃ
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে ভাইরাল হওয়া হিউম্যান ডগের ছবিতে। এমন ‘হিউম্যান ডগ’ বা ‘মানব কুকুর’ সেজে প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ কেন কুকুরের মতো চলাফেরা করছে?-এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়।

জানা যায়, এটি একটি ‘পারফর্মিং আর্ট’ ফ্রম পোর্টফোলিও অফ ডগডনেস। পশ্চিমা ধারণার এই পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় অস্ট্রিয়ার ভিয়েনার প্রকাশ্য রাস্তায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এই পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন।


সম্প্রতি হাতিরঝিলে সেই ‘পারফর্মিং
আর্ট’ ফ্রম পোর্টফোলিও অব ডগডনেসে অংশ নেয় সেঁজুতি ও টুটুল চৌধুরী। সেঁজুতি একে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি বলেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী।

সেঁজুতি এটাকে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী। এই পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য, কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণীকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয় তেমনি এখানে মানুষকে প্রাণী চরিত্রে দেখানো হয়েছে।

সেঁজুতি লেখক ক্লদিয়া স্লানারের
লেখাকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, ‘এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।’

কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এ পারফর্মিং আর্টের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেতিবাচকভাবে। সেখানে বলা হচ্ছে, হাতিরঝিলে দেখা গেল মানব কুকুর কিংবা আমাদের সমাজে ঢুকে গেল পশ্চিমা নিম্ন প্রকৃতির সংস্কৃতি। সেঁজুতি পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘রোগ হইলে যেমন ডাক্তারের কাছে যাওন লাগে কিন্তু তার আগে রোগটা নির্ণয় করতে হয়। এখন পরিচিত রোগের সাথে তো পরিচিত কিন্তু অপরিচিত/অজানা রোগ হইলে কেম্নে বুঝবা? এখন আমি অসুস্থ হইলে সেটা কষ্ট দেয় আগে কাকে! আমার পরিবারকে। আর আমরা অসুস্থ হইলে কাকে কষ্ট দেয়!! সমাজকে। তাই সমাজ সুস্থ করতে হইলে আগে আমাদের সুস্থ থাকতে হবে তাই না? তাই আমরা সুস্থ আছি কিনা অইটা পরীক্ষা করলাম। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা বুঝে সবাই কিন্তু প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস কেউ মন দিয়ে করে না।’

অনেকে বলেছেন, “এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে ‘Taboo’ অনুষ্ঠান দেখলে হিউম্যান ডগ সম্পর্কে অনেকটা ক্লিয়ার হবেন। সেখানকার একটি এপিসোডে ‘হিউম্যান ডগ’ নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি আছে, ইউটিউবে পাবেন। এটি আধুনিক দুনিয়ায় পুরনো ক্রীতদাস প্রথাও বলা যায়। ইউরোপ-আমেরিকায় এসব দেখা যায়। আপনি মানুষ কিনে তাকে দিয়ে যা ইচ্ছে, তা-ই করাতে পারেন। আধুনিক সভ্যতায় এটাকে ‘সাইকো অসভ্যতা’ও বলা যেতে পারে।” (কপিরাইট-সময়ের আলো)

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!