শিরোনাম :
উপ-নিবার্চন উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে আসেন মাহবুব উল আলম হানিফ চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় মূখ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবাসায়ী মূখলেস আ’লীগের সহ-সভাপতি মনোনীত কলসকাঠীতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা পরিবেশ শর্ত ভঙ্গের দায়ে সীতাকুণ্ডের কেএসএ স্ট্রীল ও সীমা স্ট্রীল কে ৫ লক্ষ ২০হাজার টাকা জরিমানা সেতুবন্ধন কল্যাণ সমবায় সমিতির নতুন সভাপতি রেজাউল সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত খুলনার বটিয়াঘাটায় ভূমি অফিস দালাল নির্মূলে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ জনকে জরিমানা চৌহদ্দিটোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩,
যশোর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বদলে রোগী দেখেন মেডিকেল সহকারীরা

যশোর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বদলে রোগী দেখেন মেডিকেল সহকারীরা

বিবিএস নিউজ ডেস্কঃ
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে প্রতিনিয়ত রেফার করছেন। কিন্তু এই হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বদলে অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের কপালে জোটে মেডিকেল সহকারীদের ব্যবস্থাপত্র। অভিযোগের প্রমাণও মিলেছে বুধবার হাসপাতালের গাইনি বহিঃবিভাগে। সকালে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গাইনি বিশেষজ্ঞর ব্যবস্থাপত্র নিতে আসেন আম্বিয়া খাতুন (২৫)। তিনি মণিরামপুর উপজেলার ঝাঁপা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রেফার করেন। তার পরামর্শ অনুযায়ী জেনারেল হাসপাতালের বহিঃবিভাগে এসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানোর জন্য পাঁচ টাকা দিয়ে টিকিট নিয়ে ১১৪ নং কক্ষে যান। এ সময় রুটিন অনুযায়ী ডা. ইলা মন্ডল থাকার কথা থাকলেও তার অনুপস্থিতিতে সকাল থেকে রোগী দেখেন হালিমাতুজ জোহরা মুক্তি। কিন্তু তিনি প্রশাসনকে না জানিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজে বাহিরে যান। এ সময় তার কক্ষে থাকা মেজবাউর রহমান মেডিকেল কলেজ থেকে প্রশিক্ষণ নিতে আসা মেডিকেল সহকারী আম্বিয়াকে ব্যবস্থাপত্র দেন। একইভাবে অভিযোগ করেছেন বসুন্দিয়া থেকে চিকিৎসা নিতে আসা লাবুয়াল হকের মেয়ে তন্নি (১৯)। শুধু গাইনি বহিঃবিভাগেই নয় এমনি অভিযোগ করেছেন হাসপাতালের চক্ষু বহিঃবিভাগের রোগীরাও। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসা নিতে আসা বেজপাড়া এলাকার গোপীনাথ দাসের মেয়ে ওমিশা দাস (২১)। তিনি জানান, চোখের সমস্যা নিয়ে চক্ষু বিভাগে গেলে সেখানে কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন না। এ সময় মেডিকেল সহকারী আব্দুল্লাহ তাকে ব্যবস্থাপত্র দেন। পরে ব্যবস্থাপত্র তার পিতার সন্দেহ হওয়া তিনি অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে ডা. হিমাদ্রী শেখর সরকারকে দেখান। চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্রে লেখা চোখে দেওয়ার ড্রপ পরিবর্তন করে নতুন করে ব্যবস্থাপত্র দেন। এভাবে হাসপাতালে বহিঃবিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা প্রতারণা ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছে বলে রোগীরা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগে এ ধরনের কোন অভিযোগ তার কছে আসেনি। তবে বিহিঃবিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। বিষয়টি তদন্ত করে হচ্ছে।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!