শিরোনাম :
স্বাস্থ্য সেক্টরে ‘ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট’ জাতি হিসেবে অনন্য!! পুলিশের পরিবর্তন দৃশ্যমান হচ্ছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শার্শার বাগআঁচড়ায় বাজার কমিটির জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঘুমধুম উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে একটি পর্যালোচনা গত ৩ দিনে চালের দাম বেড়েছে জবি’র ভবিষ্যৎ বিজ্ঞাণীর খোঁজে ভার্চুয়াল বিজ্ঞান মেলার পোষ্টার লাগায় ছাত্রদল বোরহানউদ্দিনে ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে অনিয়মের সত্যতা মিলছে পাটগ্রাম পৌর নির্বাচনে গোলাম রব্বানী প্রধান সকলের আস্থার প্রার্থী। ঝালকাঠিতে প্রধান শিক্ষক সমিতির আলোচনা সভা ও জেলা শাখার পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন আশাশুনিতে ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
ইয়াবা-ফেনসিডিল নিয়ে বরিশাল ও বাকেরগঞ্জ শহরে ঘুরছে বিক্রেতারা!

ইয়াবা-ফেনসিডিল নিয়ে বরিশাল ও বাকেরগঞ্জ শহরে ঘুরছে বিক্রেতারা!

শাহিন হাওলাদার ,স্টাফ রিপোর্টারঃ নিজস্ব প্রতিনিধি॥ একের পর এক অভিযানে বিভিন্ন মাদকদ্রব্যসহ বিক্রেতারা আটক হওয়ার পরও থেমে নেই এখানকার মাদকের জমজমাট ব্যবসা। সর্বত্রই বিক্রি হচ্ছে মরণনেশা ইয়াবা, ফেনসিডিল থেকে শুরু করে গাঁজা-হেরোইন পর্যন্ত। হাত বাড়ালেই এসব নেশাজাতীয় দ্রব্য পাচ্ছে তরুণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বেকার যুবকেরা। এমনকি চাকরিজীবী থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাও জড়িয়ে পড়ছেন নতুন নতুন ব্র্যান্ডের নেশায়।

সম্প্রতি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে সর্ববৃহত্ মাদকের চালান আটক, নগরীর এরিনা হোটেলের মদের বারে অভিযান চালিয়ে ৬৩ জনকে জেল-জরিমানা, কাভার্ড ভ্যানে করে অভিনব কায়দায় নিয়ে আসা বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধারে শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত এক সপ্তাহে র্যাব-৮ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর সিঅ্যান্ডবি রোডে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩৬০ বোতল ফেনসিডিল, ২৫ কেজি গাঁজাসহ দুই ব্যক্তিকে এবং পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কাউনিয়া থানার পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫১৪ পিস ইয়াবা এবং নগদ ১ লাখ ৬ হাজার টাকাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে।

র্যাব ও পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইয়াবা আসার পরে ফেনসিডিলের কদর কমে যায় মাদকসেবীদের কাছে। এখন বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নগরীতে বিক্রি হলেও তা ধরা মুশকিল হয়ে পড়েছে। ফেন্সিডিলের চেয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট বহন করা সহজ হওয়ার কারণে তা থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে প্রতিদিনই র্যাব-৮, রেঞ্জ পুলিশ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের চার থানা, জেলা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ এসব মরণনেশাসহ একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে। হাজার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার হলেও থেমে নেই ব্যবসা। অভিনব কৌশলে ইয়াবা ঢুকছে নগরীতে। তা খুচরা বিক্রেতারা বিক্রির সময় র্যাব-পুলিশ কৌশলে এক-দুই জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হচ্ছে। বাকিরা ইয়াবা ও ফেনসিডিল নিয়ে চষে বেড়াচ্ছে নগরী। গাঁজা ও হেরোইন বিক্রির জন্যও রয়েছে খুচরা বিক্রেতা। ফলে নির্দিষ্ট কোনো মাদক জোনে হানা দিয়ে এখন আর আগের মতো মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে সম্ভব হয় না। আবার যারা মাদকসহ র্যাব-পুলিশের হাতে গ্রেফতার হচ্ছে, তারাও কিছুদিনের মধ্যে জামিনে মুক্তি পেয়ে পুরোনো পেশায় যুক্ত হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাদক বহনে প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করছে ব্যবসায়ীরা। অ্যাম্বুলেন্স, এমনকি লাশের কফিনও ব্যবহার করছে তারা। এছাড়া সবজির ট্রাক, মাছের ঝুড়ি, চিঠির খাম, জুতার তলা, স্কুলব্যাগে করেও মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন মাদকের স্পটে। সবচেয়ে নিরাপদ হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস। নগরীতে বিক্রির জন্য প্রবেশদ্বার পর্যন্ত নানা পরিবহনে আসে মাদক। নিরাপদ স্থানে তা নামিয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন আলফা মাহেন্দ্রযোগে খুব সহজেই নির্দিষ্ট গন্তব্যে নিয়ে মজুত করা হয়। দ্রুতগামী আলফা মাহেন্দ্রকে আটক করতে ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কারণ র্যাব-পুলিশের যানবাহনের চেয়ে ভারত থেকে আমদানি করা আলফা মাহেন্দ্রর গতি অনেক বেশি। মাদক বহনের সময় এই বাহন বেপরোয়া গতিতে ছুটে চলে। তখন দুর্ঘটনায় পথচারীরা প্রাণ হারালেও তারা সেদিকে ফিরে তাকায় না।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!