বাকেরগঞ্জ থানার ওসি’র ষড়যন্ত্রের শিকার গণমাধ্যম কর্মীরা,মিথ্যা মামলায় ফাসালেন সাংবাদিক জিয়াউল হক আকন কে,

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি’র ষড়যন্ত্রের শিকার গণমাধ্যম কর্মীরা,মিথ্যা মামলায় ফাসালেন সাংবাদিক জিয়াউল হক আকন কে,

স্টাফ রিপোর্ট \মো: জিয়াউল হক অাকন

বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের কর্মকান্ড নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তার অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষেপেছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। তার অসংলগ্ন কথাবার্তার স্পর্ধা দেখে হতবম্ভ বাকেরগঞ্জের মিডিয়া কর্মীরা। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিপরীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পথে হাঁটছেন। এই বিতর্কিত ওসি’র অনৈতিক আয়ের বাঁধা হয়ে দাঁড়ালে রোষানালে পড়েন দৈনিক তারুণ্যের বার্তা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার কবির গাজী।
একটি বানোয়াট চাঁদাবাজী মামলায় আসামি করে তাকে প্রায় দুই মাস হয়রানী ও কৌসলে তার থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে অাসছে ববাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ও হেনস্তা করা হচ্ছে এই সাংবাদিককে। ওসি’র মদদে সৃষ্ট এই কাল্পনিক মামলার ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য দৈনিক প্রথম সকাল পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আহমেদ কাওছার ক্ষৌণিশ, বাকেরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহা. সফিক খান, দৈনিক আমাদের বরিশাল পত্রিকার প্রতিনিধি ইমরান খান সালাম, দৈনিক প্রথম সকাল ও জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার জিয়াউল হক আকন, বরিশাল খবর পত্রিকার সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, দৈনিক কলমের কন্ঠ পত্রিকার মাসুদ রানা, দৈনিক ন্যায়-অন্যায় পত্রিকার জয়দেব সাহাসহ সাংবাদিকদের একটি টিম ব্যাপক অনুসন্ধান চালায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, মামলায় উল্লেখিত ঘটনা পুরোটাই সাজানো এবং ওসি আবুল কালামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় সাংবাদিকদের তদন্তটিম ওসি’র কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার কবির গাজীর ব্যক্তিগত-পারিবারিক বিষয় উল্লেখ করে গালাগাল করেন। এসময় এমন এলোমেলো আচারণের কারণ জানতে চাইলে তিনি তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠে সকল সাংবাদিকদের নিয়ে বিষোদগার করেন।

কোন তথ্য প্রমান না পেয়েও সাংবাদিকদের নামে চাদাবাজির মামলা নিলেন তিনি। পটুয়াখালী ২৮০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতারি কথিক সাংবাদিক লিমন কে নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি করেন সাংবাদিকদের এই তদন্ত টিম। এই সাংবাদিক টিম সহ সাত জনকে অাসামি করে ইয়াবা ব্যাবসায়ী লিমন নিজে বাদি হয়ে ডিজিটাল নিরাপক্তা অাইনে বিঞ্জ সাইবার ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। সুপ্রিমকোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) এর সাইবার ট্রাইব্যুনালে করা ২৯৫ /২০১৯ নম্বর মামলা প্রতিবেদন দায়িতাব পান বাকেরগঞ্জ থানার ওসি অাবুল কালাম,সেখানেও তার অপকর্মের রহস্য বেরিয়ে পরে।
সূত্র মতে মামলাটির তদন্ত করেন ইন্সপেক্টর জুবায়ের তদন্তের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় ইয়াবা সহ ১৩ মামলার অাসামি লিমনকে নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি করে হেয় প্রতিপন্ন করেছে সাংবাদিকরা। এছাড়া ওই প্রতিবেদনে ইয়াবা সম্রাট নিমনের পক্ষে থেকে সাংবাদিক জিয়াউল হক কে ৫ নং অাসামি থেকে ১ নং অাসামি করে তাকে ঘায়েল করতে মিথ্যা ঘটনা কেন্দ্র করে উল্লেখ করে লিমনকে একাধিক বার মারধর করা হয়েছে এবং হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে যার কোনো তথ্য প্রমান নেই ফন্দি বাজ অফিসারদের কাছে। এছাড়া এই ওসি’র বখরা আদায়সহ নানা অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছিলেন সাংবাদিক জিয়াউল হক আকন। এর জের ধরে জিয়াকে হেনস্তা করার মিশনে নামেন ওসি আবুল কালাম সহ ইয়াবা সম্রাট লিমন। নানা ধরণের ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন পরিকল্পনার ছক আঁকতে থাকেন তারা। এই ষড়যন্ত্রের অংশ বাস্তবায়ন করা হয় পাঁচ মাস আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিকৃত রূপায়নের মাধ্যমে। প্রসঙ্গত ভুক্তভোগী এবং স্থানীয় সূত্রমতে, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার আগাবাকের লেন এলাকার একটি ফ্লাটে ইয়াবা ও নারী নিয়ে চলছিল রঙ্গলীলা। বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ ওই ফ্লাটে হানা দিয়ে রঙ্গলীলায় অংশ নেয়া ফাতেমা নামের এক নারীসহ জড়িত পাঁচ তরুণকে আটক করা হয়। ওই ঘটনার খবর পেয়ে সাংবাদিক জিয়া, অাবুল বাশার, শফিক খান ঘটনাস্থলে যান। ওই ঘটনাকে পুঁজি করে লাখ টাকার বাণিজ্য করে ওসি আবুল কালাম।

এই ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনার আদ্যপান্ত তথ্যাদি সংগ্রহের কাজ করেন সাংবাদিক জিয়াউল হক আকন। এছাড়া হত্যা, ধর্ষণের মত নানা ধরণের স্পর্শকাতর ঘটনা নিয়ে ওসি’র ঘুষ বাণিজ্যের দুর্গে হানা দেয় সাংবাদিক জিয়া। চাঞ্চল্যকর বাকেরগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্র সজিব হত্যার ভিডিও উদ্ধারের দাবিতে বাংলাবাজার মানবন্ধন ও বিক্ষোভ করে এলাকা বাসি সহ সজিবের পরিবার। সেই বিষয়ে পত্র পত্রিকায় লেখালেখি করেন সাংবাদিক জিয়া সূত্র জানায় নানা কারণেই প্রতিবাদি সাংবাদিকদের দমাতে সবসময়ই তৎপর ছিলো ওসি আবুল কালাম। সেই ভিডিও নিয়ে সাংবাদিক জিয়াকে যা বললেন ওসি অাবুল কালাম (সকল তথ্য সহ ফোন অালাপ রেকড রয়েছে) এ রকম কত মামলা দেয়া হবে যদি সঠিক পথে অাপনি চলেন এর ধারাবাহিকতায় উল্লেখিত রঙ্গলীলায় অংশ নেয়া উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের হাতাকাঠী গ্রামের জালাল সিকদারের নাতনী ফাতেমা নামের এক চরিত্রহীনা নারীকে দিয়ে শ্লীলতাহানীর গল্পকাহিনী বানিয়ে মিথ্যা মামলা তৈরি করে সাংবাদিক জিয়াকে আসামী করা হয়। উল্লেখ্য মামলায় ২ নং অারাফাত, ৩ নং মুন্না ৪ অাবির স্বাক্ষী উল্লেখ করা হয়। এদেরকেই চরিত্র হীন নারি সহ রঙ্গলীলা থেকে পুলিশের হেফাজতে থানায় নেয়া হয়।(যাহার ফোন অালাপ সাংবাদিদের কাছে সংরক্ষিত )

মামলায় উল্লেখিত ঘটনার ভিত্তিহীনতার তোয়াক্কা না করে নিজের ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের ওসি ও লিমন এই মামলার মদদ দিয়েছেন এমন তথ্য সাংবাদিকদের হাতে পৌছেছে। এদিকে সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাঁধা সৃষ্টি করতে অব্যহত ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা ঐক্যবন্ধ আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। সূত্র জানায়, ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচি হতে পারে “দুর্ণীতিবাজ ওসি হটাও, গণমাধ্যম বাঁচাও”।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!