শিরোনাম :
উপ-নিবার্চন উপলক্ষে ঈশ্বরদীতে আসেন মাহবুব উল আলম হানিফ চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় মূখ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবাসায়ী মূখলেস আ’লীগের সহ-সভাপতি মনোনীত কলসকাঠীতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা পরিবেশ শর্ত ভঙ্গের দায়ে সীতাকুণ্ডের কেএসএ স্ট্রীল ও সীমা স্ট্রীল কে ৫ লক্ষ ২০হাজার টাকা জরিমানা সেতুবন্ধন কল্যাণ সমবায় সমিতির নতুন সভাপতি রেজাউল সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত খুলনার বটিয়াঘাটায় ভূমি অফিস দালাল নির্মূলে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ জনকে জরিমানা চৌহদ্দিটোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩,
চুনারুঘাট পুলিশের প্রচেষ্টায় গণধর্ষণ প্রধান প্রেমিক গ্রেফতার

চুনারুঘাট পুলিশের প্রচেষ্টায় গণধর্ষণ প্রধান প্রেমিক গ্রেফতার

মীর জুবায়ের আলম: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি শামীম আহমেদ মামুনকে (২২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বাতাসর গ্রামের মকসুদ আলীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক।

ওসি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে মামুনকে তার এক আত্মিয়ের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।

এর আগে বুধবার ওই কলেজছাত্রী নিজে বাদী হয়ে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২ এ পাঁচজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের জন্য চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক জিয়া উদ্দিন মাহমুদ।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, নির্যাতনের শিকার ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে মামলার প্রধান আসামি মামুনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকে ওই কলেজছাত্রীর মোবাইল নম্বরে কল করে মামুন তাকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। পরে কলেজ থেকে তিনি বের হয়ে মামুনের সঙ্গে অটোরিকশায় করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে যান।

সেখানে মামুন প্রথমে তাকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ফজলুর, আলী ও জুনেদসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু’জন তাকে গণর্ধষণ করেন। এসময় অটোরিকশাচালক আক্কাছ জঙ্গলের বাইরে থেকে তাদের পাহারা দিচ্ছিল। গণধর্ষণের পর অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।

পরবর্তীতে তিনি অরণ্য থেকে বেড়িয়ে এসে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ওই কলেজছাত্রীকে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

আটক মামুন ছাড়াও মামলার অন্য চার আসামি হলেন- হবিগঞ্জ সদর উপজেলার হাতির থান গ্রামের মৃত রমিজ আলীর ছেলে অটোরিকশা চালক আক্কাছ আলী (২০), বানিয়াচং উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে ফজলুর রহমান (২৪), নবীগঞ্জ উপজেলার কায়স্থ গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে আলী হোসেন (২৪) ও চুনারুঘাট উপজেলার বনগাঁও গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে জুনেদ লতিফ (২৭)।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!