শিরোনাম :
হেফাজত ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী আর নেই বিয়ের দাবী করায় শৈলকুপায় প্রেমিকাকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো বেরসিক প্রেমিক জিকু মিয়া! শার্শায় ফ্রী খাবার বাড়ীতে খাবার খেল তিন শতাধিক মানুষ জিএম ইউনুস আলীকে জেলা দলিল লেখক সমিতির সদস্য মনোনিত করায় জেলার সভাপতি ও সম্পাদককে অভিনন্দন ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৫ নারী-পুরুষ আটক মহেশখালী জেটিঘাটে বিনা রশিদে টোল আদায়ের অভিযোগ শার্শায় দুই সন্তানের জননীর অত্নহত্যা ফরাজগন্জ ৯নং মহিষখালী তে পুনরায় মেম্বার প্রার্থী-ইদ্রিস মাঝি চট্রগ্রামের মিরসরাই অলিনগরে গলায় ফাঁস দিয়ে তরুনীর আত্মহত্যা।। পরকীয়া করতে গিয়ে গণধোলাই এর অভিযোগ : বিবস্ত্র অবস্থায় পালালেন সাবেক ইউপি সদস্য
ডিসেম্বর শেষে চা উৎপাদন সাড়ে ৯ কোটি কেজির বেশি

ডিসেম্বর শেষে চা উৎপাদন সাড়ে ৯ কোটি কেজির বেশি

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশে ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত চা উৎপাদন হয়েছে ৮৯ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন কেজি। ডিসেম্বর শেষে যা দাঁড়াচ্ছে ৯৫ মিলিয়ন বা সাড়ে ৯ কোটি কেজির বেশি। যদিও এখনো চূড়ান্ত হিসাব শেষ হয়নি বাংলাদেশ টি বোর্ডের (বিটিবি)। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে চা উৎপাদন হয়েছিলো ৮২ দশমিক ১৩ মিলিয়ন কেজি। ২০১৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত যে উৎপাদন হয়েছে তা আগের বছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন কেজি বেশি। বিটিবি’র সচিব কুল প্রদীপ চাকমা এসব তথ্য জানান।

সূত্র জানায়, উৎপাদন বাড়ায় চা আমদানি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বছরে কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৭ মিলিয়ন কেজি চা আমদানি করা হয়। এ বছর তা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে চায় বিটিবি। সাড়ে ৩ মিলিয়ন চা আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে এবার। কারণ দেশে উৎপাদিত চা’র সঙ্গে মেশানোর জন্য (ব্লেন্ডিং) উন্নতমানের কিছু চা-পাতা আমদানি করতে হয়।

চা উৎপাদন বৃদ্ধি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটির কাপ্তাই ওয়াগ্গাছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুর রশীদ কাদেরী বলেন, সরকারের নানা ইতিবাচক উদ্যোগ, বিটি জাত উদ্ভাবন, পাহাড়ি এলাকায় প্রান্তিক চাষিদের বিটি জাতের চা চারা সরবরাহ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, হাতের স্পর্শ ছাড়া (আনটাচ প্রসেসিং প্লান্ট) চা উৎপাদন, কৃত্রিম সেচ ব্যবস্থা, আড়াই শতাংশ হারে বাগান সম্প্রসারণ, অনুকূল আবহাওয়া, শ্রমিকদের দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নত বাগান ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কারণে উৎপাদন বাড়ছে। তিনি বলেন, এটা সত্যি একসময় বাংলাদেশ চা রপ্তানিকারক দেশ ছিলো। মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ রপ্তানি হতো।

৩০টি দেশে রপ্তানি হতো আমাদের চা। চা রপ্তানিতে আমরা ছিলাম অষ্টম। এখন আমাদের দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন হয়েছে। তাই চা’র অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়েছে। উল্টো আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সবাই এখন চা পান করে। সুলভে, সহজে চা পাওয়া যায় হাত বাড়ালেই। বিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে বাংলাদেশে চা উৎপাদন হয় ৫৯ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন কেজি। ২০১০ সালে ছিলো ৬০ দশমিক ০৪ মিলিয়ন কেজি। পরের বছর কমে দাঁড়ায় ৫৯ দশমিক ১৩ মিলিয়ন কেজি। ২০১২ সালে চা উৎপাদন হয় ৬২ দশমিক ৫২ মিলিয়ন কেজি। ২০১৩ সালে ৬৬ দশমিক ২৬, ২০১৪ সালে ৬৩ দশমিক ৮৮, ২০১৫ সালে ৬৭ দশমিক ৩৮, ২০১৬ সালে ৮৫ দশমিক ০৫ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়। ২০১৭ সালে চা উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৭৮ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন কেজি। ২০১৮ সালে ছিলো ৮২ দশমিক ১৩ মিলিয়ন কেজি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!