শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় মূখ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবাসায়ী মূখলেস আ’লীগের সহ-সভাপতি মনোনীত কলসকাঠীতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা পরিবেশ শর্ত ভঙ্গের দায়ে সীতাকুণ্ডের কেএসএ স্ট্রীল ও সীমা স্ট্রীল কে ৫ লক্ষ ২০হাজার টাকা জরিমানা সেতুবন্ধন কল্যাণ সমবায় সমিতির নতুন সভাপতি রেজাউল সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত খুলনার বটিয়াঘাটায় ভূমি অফিস দালাল নির্মূলে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ জনকে জরিমানা চৌহদ্দিটোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩, ঝিকরগাছা পৌর মেয়রের উদ্যোগে খেলা সামগ্রী বিতরণ
বরিশাল শেবাচিমে রোগী ভর্তি ফি ৬ হাজার টাকা, পুলিশ সদস্য আটক

বরিশাল শেবাচিমে রোগী ভর্তি ফি ৬ হাজার টাকা, পুলিশ সদস্য আটক

শাহিন হাওলাদার / স্টাফ রিপোর্টার /বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে রোগী ভর্তিতে ১১টার পরিবর্তে ৩০-৫০ টাকা রাখার ঘটনা অনেক পূর্বে থেকেই আলোচিত। তবে পূর্বের সেই আলোচনাকে বাড়ে ফেলেছেন এক আরআরএফ পুলিশ সদস্য।

তিনি ৫০ বা ১০০ টাকা নয়, একজন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য হাতিয়ে নিয়েছেন ৬ হাজার টাকা। তাও আবার খোদ হাসপাতালের উপ-পরিচালকের রোগীর কাছ থেকে।

কিন্তু টাকা হাতিয়ে নিয়ে শেষ রক্ষা করতে পারেননি পুলিশের ওই প্রতারক সদস্য। সর্বশেষ বিনা মূল্যের ওষুধের জন্য ১০ হাজার টাকা এবং অপারেশনের জন্য ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা কালে ধরা পড়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার শেবাচিম হাসপাতালের উপ-পরিচালকের হস্তক্ষেপে শামীম হোসেন নামের ওই পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হলেও স্বজনপ্রীতি করে তাকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের হাতে আটকের পরে মুক্তি পাওয়া প্রতারক শামীম হোসেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার উত্তমপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং বরিশাল আরআরএফ পুলিশের সদস্য।

প্রতারণার শিকার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজীরহাট থানাধীন সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের স্ত্রী রাখি খানম (২৪) জানান, গত ৭ জানুয়ারি পিত্তে পাথর জনিত সমস্যা নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হতে আসেন। একটু সুযোগ সুবিধার আশায় পূর্ব পরিচিত আরআরএফ পুলিশ সদস্য শামীমকে হাসপাতালে ডেকে আনেন।

রাখি জানান, ‘শামীম পুলিশ সদস্য এবং সরকারি লোক হওয়ায় কম খরচে এবং সল্প সময়ের মধ্যে চিকিৎসা করানোর প্রতিশ্রতি দেন। এজন্য তিনি ভর্তির রেজিষ্ট্রারে রাখির স্বামীর নাম এবং ঠিকার পরিবর্তে শামীমের নাম-ঠিকানা লেখান। ওই পরিচয়ে জরুরী বিভাগ থেকে ভর্তির সময় বিনামূল্যের টিকেট গ্রহন করেন পুলিশ সদস্য শামীম।

কিন্তু ভর্তিসহ আনুসাঙ্গীক খরচের জন্য ওই রোগীর কাছ থেকে আদায় করে নেন ৬ হাজার টাকা। পরবর্তীতে হাসপাতালে প্যাথালজী এবং রেডিওলজীতে রাখির বিনামূল্যে পরীক্ষা নিরীক্ষা করান শামীম। বিনিময়ে আদায় করে নেন আড়াই হাজার টাকা।

সর্বশেষ দ্রুত অপারেশন এবং ওষুধ ক্রয়ের জন্য পৃথকভাবে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন পুলিশ পরিচয়ের আড়ালে প্রতারক শামীম। এর মধ্যে অপারেশনের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে রোগীর স্বজনদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারা চিকিৎসকদের সঙ্গে অপারেশনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে প্রতারনার বিষয়টি আচ করতে পারেন। পরে রোগীর গ্রামের বাড়ির প্রতিবেশী শেবাচিম হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ইউনুস’র এর স্মরণাপন্ন হন তারা। এর পর পরই ধরা পড়ে যান পুলিশ পরিচয়ে দালাল শামীম হোসেন।

হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, প্রতারক শামীমকে আটক করে থানায় প্রেরণের জন্য হাসপাতালে কর্মরত এসআই নাজমুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নাজমুল তাকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে গার্ড রুমে আটকে রাখেন তাকে। কিন্তু পরে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করেই ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

যদিও এসআই নাজমুল জানিয়েছেন, ঘটনাটি সমাধাণ করা হয়েছে। পরীক্ষাবাদ যে টাকাটা পুলিশের ওই সদস্য নিয়েছেন সেটা ফের দেয়া হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!