Logo
শিরোনাম :
ঝিকরগাছায় দারিদ্র্যে হার না মানা নারী উদ্যোক্তা আনোয়ারার এবার চুঁইঝাল চাষে নতুনমাত্রা ঝিকরগাছার গদখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ধান কাটার কর্মসূচী শার্শা সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থায় ভোরের চেতনা পত্রিকার আলোচনা সভা ব্যবসায়ী রফিক মুন্সির ব্যবসায় অবনতি, মাথায় হাত জবি উপাচার্যের সাথে সমকাল পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আশাশুনিতে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ইউএনও’র ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায় পোরশায় উপনির্বাচনে নব নির্বাচিত দুই ওয়ার্ড সদস্যের শপথ গ্রহন উখিয়াতে ঝুকিপূর্ণ বাজার ব্যবস্থাপনাঃদেখা নেই অগ্নিনিবার্পক যন্ত্র পিতৃ হন্তারক ঢাকা থেকে গ্রেফতার বাণিজ্য সহজীকরনে বেনাপোল বন্দরে যৌথ এন্ট্রি শাখার উদ্বোধন

সৌদিআরব গত বছর সবমিলিয়ে ১৮৪ জনের গর্দান নিয়েছে

বিবিএস আন্তজার্তিক নিউজ ডেস্কঃ
গত বছর সবমিলিয়ে ১৮৪ জনের গর্দান নিয়েছে সৌদি আরব। এই সংখ্যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এদের মধ্যে তিনজনই কম বয়সী, যারা গণতন্ত্রকামী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল।

মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা রিপ্রিভের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছেন কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে ২০১৯ সালে ১৮৪ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে নির্যাতন করার পর শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ওই কিশোরের অপরাধ হচ্ছে সে হোয়াটসঅ্যাপে বিক্ষোভ নিয়ে বার্তা দিয়েছিল।

সন্ত্রাসবাদে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আব্দুল করিম আল হাওয়াজ নামে ২১ বছর বয়সী এক তরুণ এবং আরও ৩৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। গত বছরের এপ্রিলের এক দিনেই এক সঙ্গে এসব লোকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

এদের মধ্যে একজনকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয় এবং তার মরদেহ অনেক সময় পর্যন্ত সেভাবেই রেখে দেওয়া হয়। এ ধরনের অপরাধ যেন অন্যরা না করতে পারে সেজন্য সতর্কতা হিসেবেই এমন ব্যবস্থা নেয় কর্তৃপক্ষ।

অপরদিকে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে বিমানের ফ্লাইট থেকে আটক করা হয়। সে ওয়েস্টার্ন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছিল। এই অপরাধেই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক আইন ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিধান অনুযায়ী, ১৮ বছরের নিচে কোনো ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া নিষিদ্ধ। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়াদের মধ্যে একজন ছিলেন সমকামী। এছাড়া আরও ৩৭ জন সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, মাদক পাচারের অভিযোগে ৮২ জন এবং খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে ৫৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ১৮৪ জনের মধ্যে ৮৮ জন সৌদির নাগরিক, ৯০ জন বিদেশি নাগরিক এবং বাকি ছয়জনের পরিচয় জানা যায়নি।

এসব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় সৌদি যুবরাজ মোহম্মদ বিন সালমানের ব্যাপক নিন্দা করেছে রিপ্রাইভ। এক বিবৃতিতে এই মানবাধিকার গোষ্ঠীর পরিচালক মায়া ফোয়া বলেন, ‘এটি মোহাম্মদ বিন সালমানের কুকীর্তির আরও একটি মারাত্মক মাইলফলক। এই ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, সৌদি শাসকরা কোনো আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!