Logo
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ত্রাণের দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন এবার কৃষকের ধান কেটে দিলেন উদ্ভাবক মিজান পোরশায় ৪ বিঘা বোরো ধান কীটনাশক দিয়ে ঝলসে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা বাঁশখালীতে শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় আরো দুই শ্রমিকের মৃত্যু চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনায় মারা গেলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হক অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোজাম্মেল হক সাতক্ষীরা বাঁশদাহে ১৫০ জন কৃষকদের মাঝে বীজ ধান ও সার বিতরণ আপডেট নিউজ এর ‘যুগ্ন বার্তা সম্পাদক’ হলেন অলিউল্লাহ খান বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১ শ্রমিকের মৃত্যু জনসচেতনতা বাড়াতে বিরামহীন ভাবে ছুটে চলা এক পুলিশ অফিসার মীর খায়রুল কবীর বরিশালে সেচ্ছাসেবী “আস্থা” সংগঠনের উদ্যোগে হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার বিতরণ

শার্শায় বরো আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক

জসিম উদ্দিন: শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদ। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-শ্রমিক। লোকসান ঠেকাতে আগামী বোরো ক্রয় মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার দাবী জানান তারা। চাষিরা বলছেন শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো থাকলে সুষ্ঠু ভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন।

ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে পানি সেচ, জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনের ব্যস্ততা। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামের কৃষক সোহেল রানা বলেন, দেড় বিঘা জমিতে বরো ধান চাষ করছি। গভীর নলকুপ দিয়ে আমাদের চাষাবাদ করতে হয়। সবাই একসাথে জমি তৈরী করতে নলকুপের উপর কিছুটা চাপ পড়ছে।

কৃষক তবিবুর রহমান বলেন, জমি চাষ ও রোপন , পানি সেচ এবং কাটা-মাড়াই সহ প্রায় ১০ হাজার থেকে ১১ হাজার টাকা বিঘা প্রতি খরচ হয়ে থাকে। বিঘা প্রতি ফলন হয় ২০-২২ মন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম সর্বোচ্চ ৬৫০ টাকা করে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কিছু থাকে।

কিন্তু যারা বর্গাচাষী তাদের কিছুই থাকেনা। এতে করে প্রতিবছর আমাদের লোকসান গুনতে হয়। সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনে তাহলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে। উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষিদের মধ্যে বোরো চাষের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে।

কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে শার্শা উপজেলায় এবার ২২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। এর মধ্যে ব্রি-ধান ২৮, ব্রি-ধান ৫০, ব্রি-ধান ৬৫, ব্রি- ধান ৬৭, ব্রি-ধান ৮১ সহ হাইব্রিড মিনিকেট ধান চাষ হচ্ছে।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল জানান, চলতি বছরের বোরো মৌসুমে ৪শ বা তার বেশি কৃষককে প্রনদনা কর্মসূচীর আওতায় বিঘা প্রতি সার, বীজ সহায়তা প্রদান এবং কৃষক/কৃষানীকে এনএডিবির আওতায় সার, বীজ বিতরণ সহ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

কৃষকরা জানান, প্রতিবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়ে থাকে। এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে রয়েছে। ফলে শীত এবং কুয়াশার প্রকোপ অনেক কম থাকায় বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে কম এবং চারাও সুস্থ সবল হয়েছে। যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে তাহলে এবছরও বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!