শিরোনাম :
সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস জেলা প্রশাসকের।। সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ফরিদুল মোস্তফার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিআরটি’বিশেষ সেবা সপ্তাহ শুরু বিজিবির হাতে ভারতীয় নাগরিক ও রুপিসহ দুই জন আটক চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিআরটি’বিশেষ সেবা সপ্তাহ শুরু বাংলাদেশ সর্বমোট করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ হাজারের কাছাকাছি ক্যাসিনো ও লুটপাট লীগের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে শার্শার পল্লীতে মেয়ে দেখতে এসে টাকা সোনাদানা লুট করেছে প্রতারক চক্র অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধা শেখ মানিককে দেখতে গেলেন আ জ ম নাছির-মোসলেম উদ্দিন বাগআঁচড়ায় ১৬০ বোতল ফেনসিডিল সহ মোটর সাইকেল উদ্ধার
উত্তেজনার মধ্যেই মহাকাশ ‘দখলে’র পথে ইরান

উত্তেজনার মধ্যেই মহাকাশ ‘দখলে’র পথে ইরান

বিবিএস আন্তজার্তিক ডেস্কঃ
এই মুহূর্তে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আর এই উত্তেজনার মধ্যেই এবার মহাকাশ ‘দখলে’র পথে এগুচ্ছে তেহরান।
জানা গেছে, খুব শিগগিরই একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে যাচ্ছে তেহরান। অত্যাধুনিক এই কৃত্রিম স্যাটেলাইটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাফার’।

দেশটির গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই উপগ্রহ তৈরি করা হয়েছে। ইরানের মহাকাশ সংস্থা আইএসএ এমনটাই তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, ইরানি বিজ্ঞানীদের দেড় বছরের প্রচেষ্টায় স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের জন্য পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। ৯০ কেজি ওজনের এই কৃত্রিম উপগ্রহে রয়েছে চারটি কালার ক্যামেরা। এসব ক্যামেরা ভূপৃষ্ঠের ছবি ধারণ করে তা কন্ট্রোলরুমে পাঠাবে।

এর আগে গত বছর জানুয়ারিতে ইরানের তৈরি পায়াম স্যাটেলাইটের উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু প্রযুক্তিগত বেশ কিছু সমস্যা থাকায় সেই মিশন ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যায়ে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পৌঁছতে পারেনি।

ফলে ফের একবার মহাকাশ দখলের ছক কষছে ইরান। নতুন জাফার স্যাটেলাইটটি আকার ও ওজনের দিক থেকে পায়াম স্যাটেলাইটের মতো হলেও এতে নতুন কিছু বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে। জাফার স্যাটেলাইটের ইমেজ রেজ্যুলেশন হচ্ছে ৮০ মিটার।

উল্লেখ্য, ইরান ২০০৯ সালে প্রথম উমিদ বা আশা নামের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায়। ইরানি বিজ্ঞানীরা নিজেরাই সেটি তৈরি করেন। একেবারে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয় স্যাটেলাইটটি।

এর পর ২০১০ সালে মানুষ যেতে পারে এমন মহাকাশযান মহাকাশে পাঠায় তেহরান। এই মহাকাশযান পাঠানোর জন্য কাভেশগার বা অভিযাত্রী-৩ নামের রকেট ব্যবহার করা হয়।

এ ছাড়া ২০১৫ সালে ফজর বা ঊষা নামে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে ইরান। এটি উঁচুমানের ছবি তুলে তা পৃথিবীতে পাঠাচ্ছে।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!