Logo
শিরোনাম :
ভারত থেকে দেড় বছর পর বেনাপোল বর্ডার দিয়ে দেশে ফিরল ৪ বাংলাদেশি যুবতী আটঘরিয়ায় বেতন স্কেল আপগ্রেডেশনসহ বিভিণ্ন দাবি আদায়ের লক্ষে কর্মবিরতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হয়রানির অভিযোগে বিজিবি ও ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ঝিকরগাছা জোনাল অফিস কমপ্লেক্সে’র শুভ উদ্বোধন….ডা. নাসির উদ্দিন এমপি চিলমারীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পর্যায়ে অধ-বার্ষিকী সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়িতে ৭হাজার ৭শ ৭০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আটঘরিয়ার মাজপাড়ায় মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত খুলনা দাকোপে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যাংক ক্যানুলা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বাকেরগঞ্জ পৌর নির্বাচনে শিউলিকে পুনরায় নারী কাউন্সিলর হিসেবে পেতে চায় এলাকাবাসী কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে দেখতে আসলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল জেনারেল এসএম মুনীর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু পুত্রকে হত্যার দায়ে সৎ মাকে ২০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত

ফয়সাল আজম অপু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ বছর বয়সী পুত্র রেদুয়ানকে গলাটিপে হত্যার দায়ে সৎ মা রোজিনা খাতুন ওরফে খাদিজাকে (৩০) ২০ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ শওকত আলী একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে দন্ডাদেশ ঘোষণা করেন।

নিহত রেদুয়ান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হরিপুর মিয়াপাড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের (৩৩) ছেলে ও দন্ডিত রোজিনা আব্দুর রহিমের দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী।

মামলার বরাত দিয়ে সরকারী আইনজীবী আঞ্জুমান আরা জানান,২০১৮ সালের ৭অক্টোবর সন্ধ্যায় বাড়ির নিকটেই দ্বিথীয় শ্রেণির ছাত্র সৎ পুত্র রেদুয়ানকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখে রোজিনা। পারিবারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে সে এ কাজ করে। ওইদিন রাত ১২টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার হয়। এর আগে ওইদিন বিকেল ৩টায় রেদুয়ান নিখোঁজ হলে তার পিতা রাতে থানায় ডাইরি করে ও মাইকিং করে ছেলের খোঁজ করে।

এদিকে, ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা পরদিন ৮অক্টোবর অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে সৎ মা রোজিনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ওইদিনই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আদালতে রোজিনা হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) ইদ্রিস আলী ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর রোজিনাকে একমাত্র অভিযুক্ত করে আদালতে চার্যশীট দাখিল করেন। ১৩ জনের সাক্ষ্য,প্রমাণ ও শুনানীর পর আদালত রোজিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!