শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রিয় মূখ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবাসায়ী মূখলেস আ’লীগের সহ-সভাপতি মনোনীত কলসকাঠীতে উপ-নির্বাচনে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভা অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা পরিবেশ শর্ত ভঙ্গের দায়ে সীতাকুণ্ডের কেএসএ স্ট্রীল ও সীমা স্ট্রীল কে ৫ লক্ষ ২০হাজার টাকা জরিমানা সেতুবন্ধন কল্যাণ সমবায় সমিতির নতুন সভাপতি রেজাউল সাধারণ সম্পাদক হেমায়েত খুলনার বটিয়াঘাটায় ভূমি অফিস দালাল নির্মূলে ভ্রাম্যমান আদালতে ২ জনকে জরিমানা চৌহদ্দিটোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পটিয়ার তিতা গাজীর বাড়িতে প্রতিপক্ষের হামলা মহিলাসহ আহত-৩, ঝিকরগাছা পৌর মেয়রের উদ্যোগে খেলা সামগ্রী বিতরণ
পুকুর খননে কমে যাচ্ছে কৃষি জমি।

পুকুর খননে কমে যাচ্ছে কৃষি জমি।

স্টাফ রিপোর্টারঃ
‘জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করা যাবে না’—এমন সরকারি নির্দেশ থাকলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জে
তিন ফসলি কৃষি জমিগুলোকে পরিণত করা হচ্ছে গভীর পুকুরে। এতে করে উপজেলায় আশঙ্কাজনক হারে কমছে কৃষি জমির পরিমাণ। এক শ্রেণির পুকুর ব্যবসায়ীরা কৃষকদের ফসলি জমিতে পুকুর খননের লোভনীয় প্রস্তাব দিচ্ছেন। উপজেলার শাহবাজপুর , দাইপুকুরিয়া এবং মোবারকপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ কৃষি জমিতে মেশিন দিয়ে ৮ ফুট গভীর করে জমির চারদিকে বাঁধ দিয়ে পুকুর খননের এই মহোৎসব চলছে।

দিনরাত বিরতিহীন পুকুর খনন করে সেই মাটি আবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের, শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় সরবারহ করা হচ্ছে। কৃষকরা না বুঝে হারাচ্ছেন তাদের উর্বর ফসলি জমি, অন্যদিকে আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছেন এক শ্রেণির প্রভাবশালী পুকুর ব্যবসায়ীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এসে স্থানীয় কিছু ব্যক্তিদের সহযোগিতায় কৃষি জমিতে পুকুর খননের এই উৎসব চলছে। ব্যক্তি মালিকানা জমির পুকুর দস্যুদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

জানা গেছে, কৃষি উপকরণের মূল্য বৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ধানের যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি ২০-২৪ হাজার টাকার বিনিময়ে ৫ থেকে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তি করছে কৃষকরা। চুক্তির আওতায় তাদের ফসলি জমি পুকুরে পরিণত করা হচ্ছে। জমির সেই মাটি প্রতি গাড়ি (ট্রাক্টর) ৭০০-৮০০ টাকায় বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রয় করছে পুকুর ব্যবসায়ীরা।

উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে পুকুর খননের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও বিশেষ করে শাহবাজপুর ,দায়পুকুরিয়া ও মোবারকপুর ইউপির ঘোরদাহ বিল , দিঘলীর বিল ও খিরির বিল নামক স্থানে পুকুর খননের প্রবণতা বেশি। ইতোমধ্যেই শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১০০টিরও বেশি পুকুর খনন করা হয়েছে।

কৃষকরা জানান, অভিযোগ করেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস এম আমিনুজামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার কে বিষয়টি অবহিত করেছি ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল আক্তার বলেন, কোন ভুক্তভোগী বা পাশের জমির মালিক লিখিত অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © bbsnews24 2020
Design BY NewsTheme
error: Content is protected !!