Logo
শিরোনাম :
কলারোয়াতে ইরি-বোরো ধানে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ছিঁড়ে নিয়ে গেল সেই আমটি! খুলনা বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবে মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে স্ত্রী ও কন্যার সংবাদ সম্মেলন করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলেন আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন এমপি বগুড়া নিজ এলাকায় রমজানে অসহায় ৩০০ পরিবারের পাশে হিরো আলম পূবাইল প্রেসক্লাবের ত্রি-বার্ষিকী কমিটি গঠন চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা কৃষক লীগের ৪৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ইউএনওর নির্দেশে আওয়ামী লীগ আওয়ামীলীগ পিটিয়ে জখমের অভিযোগ বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন প্রকাশক ও সম্পাদক পরিষদ কমিটি গঠন শ্রমিক হত্যার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ

ঝিকরগাছা বাঁকুড়ায় ভালবাসা দিবসে বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করল স্কুল ছাত্রীকে

বিবিএস নিউজ ডেস্কঃ
যশোরের ঝিকরগাছার পল্লিতে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে বন্ধুরা মিলে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

১৪ই ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টায় সময় উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া জেকাঠি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা না দিয়ে বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বারা।

সরেজিমনে জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধায় উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের বাঁকুড়া-জেকাঠি গ্রামের খোরশেদ আলম বাবুর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে নিজ বাসা থেকে পাশের একটি দোকানে মোবাইলের এমবি কার্ড কিনে ফিরছিলো।

এ সময় বাঁকুড়া গ্রামের রুস্তমের ছেলে টিটু(২০) ও কলারোয়া শাকদা শিবান্দকাটি গ্রামের সাজু (২১) তার মুখ চেপে ধরে জোর পুর্বক মটরসাইকেলে তুলে বাঁকুড়া পদ্মবিলা পানি ব্যবস্হাপনা সমবয় সমিতি অফিসের পেছনে একটি বাগানে নিয়ে যায়।

একই সময় কাছাকাছি অবস্থান করছিল একই এলাকার অপর বন্ধু কলারোয়া শাকদা শিবান্দকাটি গ্রামের ইয়াছিন (১৮), বাঁকুড়া  গ্রামের শাহাজানের ছেলে সুজন,(১৭)। পরে এ বন্ধুরা একত্রিত হয়ে তারা ঐ স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে অজ্ঞান অবস্থায় এলাকাবাসি তাকে উদ্ধার করে। কিছুক্ষন পরে জ্ঞান ফিরে এলে স্কুল ছাত্রী তাঁর বাবাকে ওই পাশবিক ঘটনার বর্নণা দেয়।

ধর্ষিতার পিতা জানান,আমার মেয়ে পাশের বাড়ীর একটি দোকানে এমবি কার্ড কিনতে গিয়েছিলো। এসময় বাঁকুড়া গ্রামের টিটু ও শাকদা সম্মন্ধকাঠি গ্রামের সাজু আমার মেয়েকে জোর পুর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করেছে। আমি আমার মেয়ের উপর ঘটে যাওয়া এমন ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চায়।

এদিকে এমন ঘটনার এক সপ্তাহ অতিবাহিত হলেও থানায় কেন মামলা হলোনা এমন প্রস্ন করতেই উঠে এলো আসল তথ্য। বিষয়টি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিয়েছে স্থানীয় মাতব্বররা এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসির।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুজনের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এবং টিটু বিষয়টি স্থানীয় মাতব্বর মারফত ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে মিমাংসা করেছি। বাকি অভিযুক্তদের কথা জানতেই তারাও মোটা অর্থ দিয়ে মিমাংসা করেছে বলে জানান।

এ ব্যাপারে বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি জানিনা।আর কেও অভিযোগও করেনি। তবে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্হা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!