Logo
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাবধানে চালাবো গাড়ি, নিরাপদে ফিরবো বাড়ি- নিরাপদ সড়ক দিবসে উদ্ভাক মিজান……………. চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ ফাঁড়ির মাদক বিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ২ ঈশ্বরদীতে ৫০ লিটার চোলাই মদসহ দুই মাদক ব‍‍্যবসায়ীকে আটক করেছে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে রুপালী এনজিওর মালিক উজ্জল কোটি টাকা নিয়ে উধাও বেনাপোলে ফেনসিডিল সহ মোটরসাইকেল উদ্ধার নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার আশাশুনিতে রাস্তা ও মন্দির পরিদর্শন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেন ইউএনও বাকেরগঞ্জ উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীর সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা লাইসেন্স প্রদানে অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর

সিজারে মা এবং সন্তানের প্রচুর ক্ষতি হয়! যা কখনো পূরণ হবার নয়

মা এবং সন্তানের- সন্তান জন্মদান সত্যিই একটি আনন্দের মুহূর্ত। দীর্ঘ ৯ বা ১০ মাস অপেক্ষার পর গর্ভের সন্তানকে দেখতে পাওয়া আর স্প’র্শ করতে পারার আনন্দ অতুলনীয়। অ’ন্তঃস’ত্ত্বার সবচেয়ে বড় ভ’য় প্র’স’বকালীন ব্য’থা। এই ব্য’থা থেকে রেহাই পেতে অনেকে নিজ থেকেই সিজারের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এভাবে লাগামহীনভাবে বাড়ছে সিজার।

মা যখন প্র’স’বকালীন সময়ে অসহনীয় ব্য’থা স’হ্য করতে না পেরে চিৎ’কার করে তখন সিজারের মাধ্যমে প্র’স’ব করানো হয়। আবার অভি’যোগ আছে, বাণিজ্যিক স্বার্থের কথা চিন্তা করে অনেক ডাক্তার স্বাভাবিক সন্তান প্র’স’ব পদ্ধতি এড়িয়ে গিয়ে মাকে বা মায়ের আত্মীয় স্বজনকে সিজারের জন্য প্রলো’ভিত করে। এমন অভি’যোগ সবসময় সত্য না হলেও কখনো কখনো অবশ্যই সত্য।

তবে সিজারে ডে’লিভা’রির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। আছে অনেক ক্ষ’তিকর দিক। শুধু প্র’স’বের সময়েই নয়, সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্র’স’ব করলে সারাজীবন একজন মাকে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভু’গতে হয়। মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য সিজার খুবই ঝুঁ’কিপূর্ণ।

সিজারে ডেলিভারির বিষয়ে কথা হয়েছিল ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মা ও গ’র্ভব’তী বিশেষজ্ঞ ডা. ফাহমিদা ফেরদৌসির সঙ্গে। তিনি বলেন, যেকোনও অপা’রেশনে শ’রীরে একটা প্রভাব পড়বেই। তার চেয়ে বড় বিষয় মায়ের পেটে যে কা’টছে’রা থাকে সেটা থেকে পরবর্তীতে হা’র্নিয়া হতে পারে। হা’র্নিয়া হলে পে’টের চামড়া উইক হয়ে যায় এবং সেদিক দিয়ে খাদ্যনালী বাইরের দিকে পু’শ করে।

স্বাভাবিক প্র’স’বের পর মায়েরা যত সহজে ওজন কমাতে পারেন সিজারে প্র’স’বের পর মায়েরা তত সহজে ওজন কমাতে পারেন না। খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, আমাদের মা-খালাদের সময়ের কথা চিন্তা করলে এখনকার সময়ে সিজারের হার অনেক বেশি। তাদের অনেকেরই ডেলিভারি হয়েছে ঘরে। বেশির ভাগ মায়েদেরই হয়েছে নরমাল ডেলিভারি। সিজার ডেলিভারির পরিমাণ তখন খুব কম ছিল। আজকের সময়ে এসে সিজারের পরিমাণ হঠাৎ করে অনেক বেড়ে গেছে।

সিজারের প্রভাব মায়ের ওপর শুধু শারী রিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও পরতে পারে। তবে এই পরিবর্তন একেক মায়ের জন্য একেক রকম হতে পারে। সার্জারির পর আপনার অস্থির এবং ব’মি ‘ব’মি ভাব হতে পারে। এ অনুভূতি ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। অনেক মায়েদের সারা গা’য়ে চু’লকানি হতে পারে বিশেষ করে যাদের চে’তনানা’শক ওষুধ দেয়া হয়। চে’তনানা’শক ওষুধ যে কতটা ক্ষ’তিকর তা একমাত্র মা-ই বোঝেন।

সিজা’রিয়ান অপা’রেশনের পর থেকেই সেলাইয়ের স্থানে হঠাৎ হঠাৎ অল্প জ্বা’লাপো’ড়া করা এবং পরবর্তী ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত র ক্তস্রা’ব হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সতর্ক না থাকলে সেলাইয়ের স্থানে ইন’ফেক’শন হয়ে যেতে পারে।

সিজারের ক্ষ’তিকর দিক

১. প্রচুর র ক্তস্রা ব

২. পা ফুলে যাওয়া বা লাল হয়ে যাওয়া

৩. বু কে ব্য’থা

৪. শ্বাসক’ষ্ট

৫. সেলাইয়ের স্থানে পুঁ’জ, র ক্ত বা কোনো তরল দেখতে পাওয়া

৬. সেলাইয়ের স্থানে অস্বাভাবিক ব্যথা হওয়া

৭. হাড় ক্ষ’য় হওয়া

সিজারের পর যে ওষুধগুলো ক্ষেতে হয় সেগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তো আছেই যা সারা জীবন ক্ষ’তি করতে থাকে। এসব শারী রিক সমস্যা ছাড়াও যদি মায়ের মানসিক সমস্যা যেমন- তীব্র অস্থিরতা বা হ’তা’শা, রা’গ, আ’ত্মহ ত্যার প্রবণতা, স্বামী-সন্তান বা বাড়ির সবাইকে অ’সহ্য লাগা ইত্যাদি দেখা দেয়।

ডা. ফাহমিদা বলেন, এখনকার মেয়েদের সহ্য ক্ষমতা একেবারেই কমে গেছে। তারা এখন নরমাল ডেলিভারির কথা চিন্তা করতে পারে না। আগে মেয়েদের মধ্যে একটা প্রেরণা ছিল যে, আমাকে ব্য’থাটা মেনে নিতে হবে। ঘরেই ডেলিভারি করাতে হবে। অর্থাৎ মানসিক একটা প্রস্তুতি ছিল। যেটা এখনকার অধিকাংশ মেয়েদের নেই। প্রকৃতির নিয়মের চেয়ে মানুষের তৈরি নিয়ম কখনোই ভালো হতে পারে না। এটাই চির সত্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!