Logo
শিরোনাম :
লামায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ২৪টি ঘর পাচ্ছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রংপুরে দুটিতে ঢোল, একটিতে জয়ী নৌকা জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাকের উদ্যোগে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে পূজার উপহার বিতরন এক কৃষিপণ্য হতে ৪ বার টোল আদায়, প্রতিকার চেয়েছে কৃষকরা কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচন-২০২০” স.ম মোরশেদ আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৮০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২০’ উদযাপিত কলসকাঠী ইউপি উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে–ফখরুল শার্শার ফ্রি খাবার বাড়ি পরিদর্শন করলেন জেলা শিক্ষা অফিসার বাইশারীতে হাজারো মানুষের চলাচল রাস্তায় জরাজীর্ণ কালভার্টটি অভিভাবকহীন,দেখার কেউ নেই

সরকারী নিষেধাজ্ঞা স্বত্বেও মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ীতে চলছে কোচিং বানিজ্য

এম.এম.রহমান,মুন্সীগঞ্জ:মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ীতে সরকারী নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চলছে কোচিং বানিজ্য। কোচিং বানিজ্যের এমন দৃশ্য দেখা যাবে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার রংমেহের গ্রামের বিটি কলেজ ও রং মেহের উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে। এখানে কলেজ ও বিদ্যালয়টির শিক্ষকদের রয়েছে ১৭ টি কোচিং সেন্টার। সেখানে টাকার বিনিময়ে ক্লাস করাচ্ছেন শিক্ষার্থীদের। সরকার যেখানে আইন করে নিষিদ্ধ করেছে কোচিং বানিজ্য সেখানে প্রকাশে এতগুলা কোচিং সেন্টার একই এলাকায় হওয়াতে একটি কোচিং বানিজ্যে বাজারে পরিনিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় রাস্তার পাশে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এসব কোচিং সেন্টারগুলো। উপজেলা প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় বেপরোয়া হয়ে কোচিং বানিজ্য চালাচ্ছে প্রায় ২৫ জন শিক্ষক। পাশাপাশি স্কুল গুলোতে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতেও বাধ্য করছে। শিক্ষকদের নির্ধারিত লাইব্রেরী থেকে শিক্ষার্থীরা অধিক টাকার বিনিময়ে কিনে নিচ্ছে নিষিদ্ধ গাইট বই। যেন দেখার কেউ নেই।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে বিটি কলেজ ও রংমেহের উচ্চ বিদ্যালয় ঘীরে প্রকাশ্যে গড়ে উঠেছে ১৭ টি কোচিং সেন্টার। যার সাথে জড়িত রয়েছেন কলেজটির শিক্ষাক আজিজ,মেহেদি,রাজু,পরিতোশ সংকর, সাগর,আইসিটি শিক্ষক মানিকসহ ১০ জন শিক্ষক ও বিদ্যালয়টির একাধিক শিক্ষক। সকাল ভোরে সেখানে গিয়ে দেখা যায় কলেজ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষর্থীদের উপচে পরা ভীড়। কাছে এগুতেই চোখে পড়ে একের পর এক কোচিং সেন্টার। এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কোচিং চলাকালীন রংমেহের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিক ছাত্র-ছাত্রীদের দ্রুত ছুটি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ফোন করেন এবং এক দারোগার ভয় দেখান। পরে তার ফোন পেয়ে তার পরিবারে একাধিক সদস্য এসে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ঘিরে ধরেন। এখানে কেন এসেছেন এতবড় সাহস কই পেলেন এমন সব কথা বলে শিক্ষক অনিক এর ছোট ভাই ও তার মা । এ সময় তারা উচ্চ স্বরে বলে প্রশাসন আমাদের কিছু করতে পারবেনা। আপনারা চলে যান লিখে আমার কিছুই করতে পারবেন না।
বিটি কলেজের অধ্যক্ষ নূরুল মোমেন বলেন, সরকারী নিষেধাজ্ঞার আলোকে প্রতিটা শিক্ষককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে কোন শিক্ষক কোচিং করাতে পারবেনা। কোন শিক্ষক কোচিং বানিজ্যে জড়িত থাকলে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করিব।
রংমেহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: হানিফ উল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের কোচিং বন্ধ রাখার জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। শুনেছি কিছু শিক্ষক এখনও কোচিং করায়। ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলাপ আলোচনা করে কোচিং বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা প্রশাসক মো: মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোন শিক্ষক কোচিং বানিজ্যের সাথে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। #


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!