Logo
শিরোনাম :
রংপুরে দুটিতে ঢোল, একটিতে জয়ী নৌকা জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাকের উদ্যোগে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে পূজার উপহার বিতরন এক কৃষিপণ্য হতে ৪ বার টোল আদায়, প্রতিকার চেয়েছে কৃষকরা কলারোয়ার কেরালকাতা ইউনিয়ন পরিষদের উপ-নির্বাচন-২০২০” স.ম মোরশেদ আলী নৌকা প্রতীক নিয়ে ৬৮০৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল’ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২০’ উদযাপিত কলসকাঠী ইউপি উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী বিজয়ী নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে–ফখরুল শার্শার ফ্রি খাবার বাড়ি পরিদর্শন করলেন জেলা শিক্ষা অফিসার বাইশারীতে হাজারো মানুষের চলাচল রাস্তায় জরাজীর্ণ কালভার্টটি অভিভাবকহীন,দেখার কেউ নেই যশোরের ঝিকরগাছায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে মারপিট ও মাথার চুল কেটে দেয়ার অভিযোগ

আমের মুকুলের যত্ন কি ভাবে নিতে হয় জেনে নিন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মোঃ ইউসুফ আলীঃ
গুটি থেকে আমে পরিণত হতে শুরু করেছে মুকুল। এসময়
বাড়তি যত্ন বিশেষ করে সেচ, পোকামাকড় ও রোগ
দমনে সচেতন হলে ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত আমের ফলন
বাড়ানো সম্ভব
, পুষ্টিকর এ ফল ঘরে তুলতে হলে অবশ্যই বিশেষ যত্ন
নিতে হবে।

আমের গুটি ঝরার সমস্যায় বেশি পরেন
চাষীরা। তবে সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ভালো ফল
পাওয়া যাবে ।

এ সময় গুটি আমের যত্ন নিয়ে আম চাষীদের জন্য কিছু
পরামর্শ তুলে ধরলাম ।

পানি সেচ:
আমের গুটি যখন মার্বেল আকারের মত হয় তখন সেচ
দিতে হবে। এতে গুটি ঝরা কমে যাবে। প্রতিবার সেচ
দেওয়ার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ঘণ্টাখানেকের
মধ্যেই মাটি তা শুষে নেয়। পানি যেন জমে না থাকে।
আমের গুটি যত বড় হতে থাকে পানির প্রয়োজনও তত
বাড়ে। সেজন্য আম পুষ্টতার পর্যায়ে না পৌঁছা পর্যন্ত,
মাটির রসের অবস্থা অনুযায়ী হালকা সেচ দিতে হবে।

আমে পোকার আক্রমণ:
আমের গুটি আসার পর আম যখন আরো একটু বড় হয় তখন
উইভিল পোকা কচি আমের গায়ে ডিম পাড়ে। সে ডিম
থেকে বাচ্চা হয় এবং তা ভেতরে প্রবেশ করে আমের
আঁটি ছিদ্র করে আঁটির ভেতরের অংশ খেয়ে ফেলে।
আম পুষ্ট হওয়ার আগেই আমের নিচ দিকে ছিদ্র করে
পোকা বের হয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং মাটিতে
পুত্তলি দশা কাটিয়ে পূর্ণাঙ্গ পোকায় পরিণত হয়। ছিদ্র
করা আমটি ছিদ্র বরাবর ফেটে যায়। আক্রান্ত আম
পচতে শুরু করে। একবার যে গাছে এ পোকার আক্রমণ
দেখা দেয়, প্রায় প্রতি বছরই সে গাছে এ জাতের
পোকার আক্রমণ হতে থাকে।

উইভিল পোকা দমন:
উইভিল পোকা দমনের জন্য গাছের গোড়াসহ চারদিকের
মাটি চাষ করে দিতে হবে এবং আগাছামুক্ত রাখতে
হবে, যাতে ওই পোকার পুত্তলি মাটিতে লুকিয়ে থাকতে
না পারে। এতে রোদের তাপে পোকা মারা যাবে বা
পাখি খেয়ে নষ্ট করে দেবে।

উইভিল পোকার আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য আক্রান্ত
গাছের মরা, পোকাক্রান্ত ও অপ্রয়োজনীয় ডালপালা
কেটে দিতে হবে।
তবে মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ১৫ দিন
পর পর ২-৩ বার প্রতি লিটার পানিতে ১ মি.লি. হারে
সাইপারমেথ্রিন (রিপকর্ড/সিমবুস/ফেনম/বাসাথ্রিন) ১০
ইসি জাতীয় কীটনাশক মিশিয়ে গাছের কাণ্ড, ডাল ও
পাতায় ভালোভাবে মিশিয়ে স্প্রে করে এ পোকা
নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে।

আমে রোগের আক্রমণ:
আমের মুকুলের ন্যায় গুটি যখন মটর দানার মত হয় তখন,
অ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণ হতে পারে। আমের
ছোট মটর দানায় অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হলে আমের
গায়ে কালো দাগ দেখা যায়। এ অবস্থায় কচি ফল ঝরে
পড়ে।

রোগ নিয়ন্ত্রণ:
আমের আকার মটর দানার মত হলে প্রতি লিটার
পানিতে ০.৫ মি.লি. টিল্ট-২৫০ ইসি অথবা ২ গ্রাম
ইন্ডোফিল এম-৪৫ মিশিয়ে গাছের পাতা, মুকুল ও
ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।
এছাড়া গাছের নিচ থেকে মরা পাতা কুড়িয়ে তা
পুড়িয়ে ফেলতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!