Logo
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মারামারি মামলার আসামি মায়ের কোলে চড়ে আদালতে।। মামলা খারিজ বাঁচতে চায় শিশু নাতিশা রংপুরে ৩০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছে আড়তদাররা বেনাপোল ফিলিং স্টেশনের বিক্রিত পেট্রোলে কেরোসিন মিশ্রন থাকার অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে এমপি শিমুলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন বেনাপোলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে মৃত মানুষও পাট চাষের প্রণোদনার টাকা নিয়েছে ! নোয়াখালীর চাটখিলে এক ভূয়া সিআইডি কর্মকর্তা আটক। হরিণাকুণ্ডুর এক মেধাবী ছাত্রী’র কিডনি বিকল চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আবেদন আশুলিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে মাদক ও মিনি ক্যাসিনো বোর্ডসহ ২১ জুয়ারী আটক

ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহত হবিগঞ্জের ৯ পরিবার মন্ত্রীর নির্দেশিত অনুদান বঞ্চিত

মীর জুবায়ের আলমঃ মন্দবাগ উদয়ন রেল দূর্ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাস অতিবাহিত হলেও রেলমন্ত্রীর ঘোষিত অনুদান (১ লাখ টাকা) এখনও পায়নি ব্রাহ্মণবাড়ির মন্দবাগে ভয়াবহ ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার। এ অবস্থায় অর্থ সংঙ্কটে হতাহতের অনেক পরিবারই মানবেতর জীবন-যাপন করছে। শুধু তাই নয়, আদৌ অনুদানের টাকা পাবেন কি-না তা নিয়েও তাদের মনে দেখা দিয়েছে সংশয়।

জানা যায়, গত বছরের ১২ নভেম্বর ভোররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার মন্দবাগ স্টেশনের রেল ক্রসিংয়ে ‘উদয়ন এক্সপ্রেস’ ও ‘তূর্ণা নিশীতা ট্রেনে’র মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটে। এতে নারী-শিশুসহ ১৬ জন নিহত ও প্রায় শতাধিক যাত্রী আহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিল হবিগঞ্জের ৯ জন।

দুর্ঘটনার পরদিন সকালে পরিদর্শনে এসে নিহতের প্রত্যেক পরিবারকে ১ লাখ টাকা সরকারি অনুদানের ঘোষণা দেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। কিন্তু ঘটনার প্রায় সাড়ে ৩ মাস অতিবাহিত হলেও মন্ত্রীর ঘোষিত সেই অনুদাদের টাকা এখনও পায়নি নিহতদের পরিবার। এ অবস্থায় বানিয়াচংয়ের নিহত আল আমীন ও আদিবা আক্তারের পরিবারসহ অনেক পরিবারই অর্থ সংঙ্কটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। শুধু তাই নয়, আদৌ অনুদানের টাকা পাবেন কি-না তা নিয়েও তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে সংশয়।

এছাড়াও ওই দুর্ঘটনায় আহতদের পরিবারগুলোর অবস্থা আরও নাজুক। একই পরিবারের একাধিক উপার্জনক্ষম ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ায় পরিবারগুলোতে দেখা দিয়েছে চরম অর্থ সংঙ্কট। ফলে একদিকে যেমন খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে তাদের, অপরদিকে নিতে পারছেন না উন্নত চিকিৎসা। এ অবস্থায় আহতদের অনেকই চিরদিনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলার গুণই গ্রামের নিহত আল আমীনের স্ত্রী ফুলবানু হবিগঞ্জের খবর কে বলেন- ‘আমার স্বামী পেশায় একজন রাজমিন্ত্রী ছিলেন। তার রোজগারের আয় দিয়েই চলতো আমাদের সংসার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে হারিয়ে ৩ শিশু সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছি।’

তিনি খবর কে আরো বলেন- ‘ঘটনার পর হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৫ হাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল। এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে কিছু মানুষ যৎসামান্য সহযোগিতা করেছেন। ওই টাকা দিয়ে আমার মাতৃত্বজনিত রোগের চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করেছি। বর্তমানে খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছি। কেউ আমাদের কোন খোঁজ-খবর দিচ্ছে না। শুনেছি মন্ত্রী মহোদয় ১ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু সে টাকা আমরা এখনও পাইনি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!