Logo
শিরোনাম :
ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়াতে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত তিনবিঘা পথে চোরাচালান বাণিজ্য পরিচালনা করছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট! ঘুমধুমের তুমব্রুতে বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাসেদ-রায়হান জুটি চ্যাম্পিয়ন রূপগঞ্জের পূর্বাচলে বিদ্যুতের ছিঁড়ে বসত ঘরে আগুন;শিশুসহ আহত ১ নিহত ৩ জনগণকে সচেতন করতে একজন ওসি’র বিরামহীন ছুটে চলা ! বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জাকারিয়া সোয়েব মিরাজ দলীয় ফরম সংগ্রহ খুলনায় ঘাতক প্রাইভেটকার কেড়ে নিলো কলেজ ছাত্রের জীবন কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচন..নৌকা বিজয়ের পথসভায় নজরুল ইসলাম শার্শা নাভারন কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল অনুষ্টিত বাঁশখালীতে এ,বি,এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী আলালের পক্ষে শীতবস্ত্র বিতরণ

খুলনায় পরীক্ষা ছাড়াই করোনা মুক্ত সনদপত্র দেওয়ায় ১ কর্মচারীকে জরিমানা

মহিদুল ইসলাম শাহীন, খুলনাঃ
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে করোনা সাসপেক্টেড ফ্লু কর্নার থেকে দালালের হস্তক্ষেপে পরীক্ষা ছাড়াই করোনা মুক্ত সনদপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল দুপুরে এধরণের কর্মকান্ডের জন্য খুমেক হাসপাতালে আরিফুল হোসেন (৩০) নামের এক আউট সোসিং কর্মচারীকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও তাকে খুমেক হাসপাতালের আউট সোর্সিংয়ের চাকরী থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার ১১ টার দিকে খুমেক হাসপাতালের ফ্লু কর্ণারে ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক আসে করোনামুক্তির সনদপত্র নিতে। এসময়ে তাদেরকে করোনামুক্তির সনদ দেওয়ার জন্য প্রত্যেকের কাছে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে আরিফুল হোসেন। কয়েক জন শ্রমিক বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায়। এসময়ে হাসপাতালের পক্ষ থেকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক।
সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত বলেন, হাসপাতাল থেকে খবর দেওয়ার পর আউটসোসিং কর্মচারী আরিফুল হোসেনকে আটক করা হয়। এসময়ে শ্রমিকরা জানান, করোনা মুক্তির সনদে দেওয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা তাদের পরীক্ষা না করে করোনামুক্তির সনদ দিয়েছে। পরে আটক ব্যাক্তিকে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হয়।
খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাকিবুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ওই আউটসোর্সিং কর্মচারীকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাত হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও তাকে খুমেক হাসপাতালের চাকুরী থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।
খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মো. রেজা সেকেন্দার বলেন, করোনামুক্ত সনদ আসলে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়। কেউ সনদ নিতে আসলে তার শরীরের তাপমাত্র পরীক্ষা করে করোনার কোন উপসর্গ না পাওয়া পেলে তা লিখে দেওয়া হয়। এটা করোনামুক্তির সনদপত্র।
তিনি আরো বলেন, হাসপাতালের কিছু আউটসোসিং কর্মচারী ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীরা করোনার সনদ নিয়ে বানিজ্য শুরু করেছে। তারা এটাকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে। সনদ নিতে আসাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে তারা। তারা খুবই কৌশলে এই কাজটা করছে। হাসপাতালে ৩০২ জন আউটসোসিং কর্মচারী ও ৯৪ জন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের একাংশই মূলত এসব কাজে লিপ্ত। এখানে বাইরের কোন দালাল নেই। এরাই মূল দালাল। তারা হাসপাতাল পরিষ্কার পরিছন্নতার কাজ বাদ দিয়ে এসব করে বেড়াই।
তাদের উৎপাত কমাতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি আশার পর থেকে তাদেরকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। আমি ইতোমধ্যে প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থ্যার কাছে এবিষয়ে চিঠি দিয়েছি। তারা যথাযত পদক্ষেপ নিবেন বলে আমাকে আশ্বাস্ত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!