Logo
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিবির পৃথক অভিযানে মাদক সহ ৩ জন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে হত্যা মামলার ৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি নলছিটিতে পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে কেএম মাসুদ খানের প্রার্থীতা বহালের নির্দেশ সুপ্রিমকোর্টের জেলা ক্রীড়া পরিষদের কার্যক্রম ইউনিয়ন পর্যায়ে সক্রিয় না থাকায় যুবকরা আজ মাদকাশক্ত পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের বিভাগীয় টিম’র প্রথম প্রস্তুতিমুলক সভা   চাটমোহরের নব নির্বাচিত পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিষেক অনুষ্ঠান-অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি থানার আলমগীর হোসেন ৫ম বারের মত জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত বাগেরহাটে ৪৮হাজার করোনা ভ্যাকসিন পাঠাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে র্র্যাবের হাতে অস্ত্র সহ আটক ১ রাণীশংকৈলে দিন ব্যাপী পিঠা উৎসবের উদ্বোধন

মুন্সীগঞ্জে লিফটে চাপা পড়ে শিশুর মৃত্যু,ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছে মালিক পক্ষ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার জাল তৈরির ফ্যাক্টরিতে লিফটে চাপা পড়ে ৩ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার ডিঙ্গাভাঙা এলাকার ঈগল ফাইবার ফ্যাক্টরিতে এ দূর্ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার ধামাচাপা দিতে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আক্তার হোসেন পুলিশকে না জানিয়ে লাশ পটুয়াখালী পাঠিয়ে দিয়েছে। নিহত শিশুটির নাম মো. মূসা(৩)। সে পটুয়াখালীর ধলেশ্বর এলাকার মো. সাজুর ছেলে। মূসা তাঁর মা-বাবার সাথে মুন্সীগঞ্জ সদরের ডিঙ্গাভাঙা এলাকায় থাকত । তার মা- বাবা ঈগল ফাইবার ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে নিহতের বাবা সাজু ও তার মা ফ্যাক্টরিতে কাজ করছিলেন।এ সময় তাদের তিন বছর বয়সী বাচ্চাটাও তাদের সাথে ছিল। ফ্যাক্টিরর ভিতর মালামাল উঠা নামা করার জন্য একটি লিফটের ব্যবস্থা ছিল। সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বাচ্চাটি ওই লিফটের নিচে যায়। এসময় উপর থেকে নামতে থাকা লিফটের নিচে চাপা পড়ে গুরুত্বর আহত হয় শিশু মূসা। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফ্যাক্টরিতেই চিকিৎসার চেষ্টাকরা হয়। অবস্থা খারাপের হলে কিছুক্ষণ পরেই মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মূসাকে মৃত ঘোষনা করেন। এদিকে বাচ্চাটি মারা যাওয়ার পরপরই তড়িঘড়ি করে সাজু ও তার স্ত্রীকে দেশের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় প্রতিষ্ঠানটির মালিক আক্তার হোসেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানান, গত ৬ মাস আগেও এ প্রতিষ্ঠানে মেশিন চাপায় এক তরুন মারা যায়। সে দিন মালিক পক্ষ সামন্য কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়ে ব্যাপারটা মিমাংশা করেন।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক আক্তার হোসেন বলেন, বাচ্চাটির ধাফন- কাফন করতে হবে তাই দেশে পাঠিয়ে দিয়েছি। একটি মৃত্যুর ঘটনা পুলিশকে না জানিয়ে কিভাবে দেশে পাঠালেন, এমন প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, দেশে কত মানুষ রাস্তা-ঘাটে মারা যায়, এখানেও মারা গেছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিচুর রহমান বলেন,সকাল সাড়ে ৮ টার ঘটনা।আমরা জেনেছি সাড়ে ১২ টা একটার দিকে। বাচ্চার মা-বাবা কাউকে পাওয়া যায়নি।তাদের ফোন নাম্বারও বন্ধ। এ ক্ষেত্রে পুলিশি কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে ওসি বলেন,আইনগত ব্যবস্থা নিতে হলে লাশের দরকার, সেটিও নেই। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #
মুন্সীগঞ্জ
০৮-০৬-২০২০০ইং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!