Logo

নিয়ম মানছেনা ক্ষুদ্রঋন আদায়কারী সংস্থাগুলো(এনজিও)

মোঃ সালমান হোসেন সাগর
শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি।

ঢাকার পার্শ্ববর্তী শরীয়তপুর এলাকা হওয়ায় উপজেলায় বাড়ছে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাতদিন মাঠে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। তবে এই উপজেলার দরিদ্র মানুষের কাছে করোনার পাশাপাশি আরেক আতঙ্কের নাম কিস্তি! করোনা আতঙ্কে কর্মহীন মানুষ ঘরবন্দি হলেও তাদের কাছ থেকে ঋণের টাকা আদায় বন্ধ করেনি এনজিও কর্তৃপক্ষ।

এবিষয়ে একাধিক ঋণগ্রহীতারা জানান, করোনায় কর্মহীন হয়ে যখন অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে তাদের ।তখন এনজিওগুলো তাদের কোন সাহায্য সহযোগিতা না করে উল্টো কিস্তির জন্য চাপ দিচ্ছে। এসব মানুষের মধ্যে আছে কৃষক, মৎস্য ও ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী, পোশাক শ্রমিক, পরিবহণ শ্রমিক ও দিন মুজুর।

অথচ গত ২৫/০৩/২০১০ইং তারিখে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির পরিচালক মােহাম্মদ ইয়াকুব হােসেন এর সাক্ষরিত ৫৩,০৪,০০০০.২১.২২.০০৩.২০-১১৮৭৫৯৯ নম্বর- পত্রে চার নাম্বারে যা বলা হয়েছেঃ-

(০৪) এ প্রেক্ষিতে বিষষটি অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে জানানাে যাচ্ছে যে, করােনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্টপরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্রক্ষণের কিস্তি অপরিশােধিত থাকলেও তাঁদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ জুন,২০২০ পর্যন্ত প্রাপ্য কোন কিস্তি/ক্ষণ কে বকেয়া/খেলাপী দেখানাে যাবে না। অর্থাৎ এই সংকটময় সময়ে এমএফআই কর্তৃক ঋণগ্রহীতাদেরকে কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোন গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশােধে ইচ্ছুক হলে সে ক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোন বাধা থাকবে না।

এবিষয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির উপপরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন সঙ্কটময় এই সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা প্যাকেজ ৩০০০ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ।এই সময়ে গ্রাহক যদি ইচ্ছাকৃত ঋনের কিস্তি পরিশোধ না করে তাহলে ক্ষুদ্রঋণ আদায়ের জন্য গ্রাহককে চাপ দেওয়া যাবে না বা গ্রাহকের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কিস্তি আদায় করা যাবে না। কিন্তু এসময়ে ঋন বিতরন যথারীতি চালু থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!