Logo
শিরোনাম :
বগুড়ার উপশহর এলাকায় তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ভারতে কুরআনের ২৬টি আয়াত বাতিল চেয়েছেল ওয়াসিম রিজভী;তার বিরুদ্ধে পাল্টা রিট দায়ের যশোর ২৫০ শয্যা মেডিকেল হাসপাতালে আইসিইউ চালু ও খাদ্য দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে রোজ মেডিকেল সেন্টারকে ভোক্তা অধিকার এর জরিমানা লকডাউন চলাকালীন কর্মহীন প্রতিটি পরিবার পাবে নগদ ৫০০ টাকা আশাশুনিতে ভ্রাম্যমান খাদ্য সামগ্রী বিক্রয়ের উদ্বোধন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাবনা জেলা আটঘরিয়া থানার হাফিজুর রহমান শ্রেষ্ঠ ওসি আশাশুনিতে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম এগিয়ে চলছে ঝালকাঠির নলছিটিতে সিটিজেন ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ শুরু সিনিয়র সাংবাদিক জামাল হোসেনের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত

অর্থের অভাবে বন্ধের পথে উদ্ভাবক মিজানের ফ্রি খাবার বাড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থের অভাবে বন্ধের উপক্রম হয়ে পড়েছে যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারণে অবস্থিত উদ্ভাবক মিজানুর রহমানের ফ্রি খবার বাড়িটি।

২০২০ ইং সালের ৪ সেপ্টেম্বর খাবার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চললেও আজ তা প্রায় বন্ধ। এক বেলা রান্না হচ্ছে তো আর এক বেলা রান্না হচ্ছে না। অন্যদিকে সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে দুই থেকে তিন দিন খাবার রান্না হচ্ছে এখানে।

ফলে একদিকে খাবার বাড়িটি তার সফলতাকে হারালো অন্যদিকে আবারও অসহায় হয়ে পড়লো এখানে খেতে আসা পাগল, ফকির, এতিম পথশিশুরা সহ খুধার্থ মানুষেরা।

“খুধা লাগলে খেয়ে যান” এই শ্লোগানের হাত ধরে নাভারণ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাদল নার্সারীতে তৈরি হয় এই ফ্রি খাবার বাড়িটি।

এক বুক আশা নিয়ে দেশ সেরা উদ্ভাবক খ্যাত মিজানুর রহমান অক্লান্ত চেষ্টার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেন ফ্রি খাবার বাড়ি। নিজের যতসামান্য অর্থ দিয়ে যাত্রা শুরু করার পর বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন, সমাজ সেবক ও দানবীর মানুষের সহযোগিতায় প্রায় এক বছর খুব ভাল ভাবে চলছিলো এটি।

কিন্তু হঠাৎই ফ্রি এই খাবার বাড়িতে অার্থিক কোন সাহায্য সহযোগিতা না আসায় এগিয়ে যাওয়ার আগেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

প্রতিদিনই খেতে আসা পাগল ভিক্ষুক এতিম পথশিশু ও খুধার্থ মানুষেরা না খেতে পেয়ে অভূক্ত পেট নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। দৈনিক খাবার খেয়ে মন থেকে দোয়া করা অসহায় মানুষেরা আজ খাবার না পেয়ে ফিরছে ঠিকই কিন্তু আজ খাবার বাড়িতে রেখে যাচ্ছে এক বুক চাপা কষ্ট আর দীর্ঘ নিঃশ্বাস।

ফ্রি খাবার বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা উদ্ভাবক মিজান বলেন, আমার যে টুকু সামর্থ ছিলো তাই দিয়ে শুরু করেছিলাম। তারপর আমার সকল শুভানুধ্যায়ীর সহযোগিতার মাধ্যমে খাবার বাড়িটি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছিলো।

কিন্তু এখন কোন জায়গা থেকে অর্থের কোন যোগান পাচ্ছি না। বর্তমানে আমার কিছু নাই। নতুন করে আবার শুরু করবো সেরকম কোন অর্থ নাই। এখন অর্থের অভাবে খবার বাড়ি বন্ধ থাকলে টেনে ধরার শক্তি আমার নাই।

মানুষের সহযোগিতা আসলে খাবার বাড়ি প্রতিদিনের মতো চলবে নাহলে এ অবস্থায় সপ্তাহে এক দিন খাবার খাবে সমাজের অভূক্ত মানুষেরা।

তাই আমি সমাজের দানবীর এবং বিত্তশালী মানুষের কাছে আহবান করবো সবাই একটু একটু করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে আবারও চলবে পাগল ভিক্ষুক এতিম পথশিশু ও অভূক্ত মানুষের জন্য করা এই ফ্রি খাবার বাড়িটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!