Logo
শিরোনাম :
ষাটগুম্বজ মযজিদে পর্যটক গণ মানছেন না কোন বিধিনিষেধ শিবগঞ্জ শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে জেলা প্রশাসক বাগআঁচড়ায় থানা বিএনপির ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় মধুপুরের বহুল আলোচিত পুলিদা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ৪১দিন পর গ্রেফতার ঝিকরগাছা শংকরপুর ইউনিয়নের সাবেক আলীগের নেতার আকষ্মিক মৃত্যু ঘরোয়া পরিসরে একই পোশাকে ঈদ উদযাপন করলো এক হাজি পরিবার ঝিকরগাছা কুলবাড়ীয়া শংকরপুর ফেরিঘাট জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু   চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেনের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা চাঁপাইনবাবগঞ্জের চুনাখালি-মহাজনপাড়া ঈদগাঁ’র উদ্বোধন: দেশবাসীকে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা

থমকে গেছে পাখা তৈরীর কারিগরদের জীবন জীবীকা  

জসিম উদ্দিন, নিজস্ব প্রতিবেদক :  তীব্র গরমে উত্তপ্ত শরীরে একটু ঠান্ডা বাতাসের পরশ বুলাতে তালপাতার তৈরী হাতপাখার তুলনা নেই। তালপাতার হালকা বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে আসলেও বর্তমান ডিজিটাল যুগের নতুনত্বের আড়ালে থমকে গেছে এই পাখা তৈরীর কারিগরদের জীবন জীবীকা। তবে স্বল্প সুদে সরকারি বা অন্যান্য কোন মাধ্যমে প্রনোদনা পেলে বাড়তে পারে এই ব্যবসার পরিধি। এমনটাই বলছেন এ ব্যবসায় জড়িত সংশ্লিষ্টরা।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিওরদাহ গ্রামের মৃত মহব্বত আলীর ছেলে সবুজ হোসেন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে তালপাতার হাতপাখা তৈরি করছেন। বাপ দাদার রেখে যাওয়া শিল্পকে আঁকড়ে ধরে কোন মতে জীবন যাপন করছে সে।
শুধু সবুজ হোসেন নয় একই পেশাকে টিকিয়ে রাখতে চেষ্টা করছেন সবুজ হোসেনের দুই সহদর ভাই। সংসারের নারীরাও হাতপাখা তৈরি করতে পুরুষকে সহযোগিতা করেন সব সময়। বছরের ৭ থেকে ৮ মাস পাখা তৈরীর জন্য ব্যস্ত সময় পার করেন তারা।
তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগের নতুনত্বের আড়ালে থমকে গেছে তাদের জীবন জীবীকা। প্লাস্টিকের পণ্য গিলে খাচ্ছে তালপাতার হাতপাখা তৈরি ও ব্যবহারকে। পাখা তৈরীর এই কারিগররা জানান তালপাতার তৈরি হাত পাখার ব্যবহার আগের মতো নেই।
কম বেশি যা চলে তাতে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে জীবন চলে তাদের। তবে সরকারি বা অন্য কোন মাধ্যমে সহজ সুদে প্রনোদনা পেলে ব্যবসার পরিসর বাড়তে পারে তাদের।
সবুজ হোসেন দৈনিক যশোরকে জানায়, প্রতিবছর অক্টোবর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত হাত পাখার জন্য তালপাতা সংগ্রহ করতে হয় তাদের। প্রতিটি তালপাতা ৫ থেকে ৬ টাকা করে কিনতে হয়। একটি  তালপাতায় দুইটি হাতপাখা হয়।
তালপাতার হাতপাখায় শলা ও হাতল বানানোর কাজে তল্লাবাঁশ ব্যবহার করা হয়। বাঁশ, রঙ ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে একটি তালপাখা তৈরি করতে ১০ টাকা খরচ হয়। বর্তমান বাজারে একটি হাতপাখা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকা।
বছরে তারা ১৫ হাজার হাতপাখা তৈরি করতে পারেন। আর এ থেকে যে টাকা আয় হয় তা দিয়েই সারা বছর কোন মতে চলতে হয় তাদের। তবে তারা বলেন সরকারি বেসরকারি বা অন্য কোন সহজ শর্তে আর্থিক সহযোগিতা পেলে তালপাতার হাতপাখা তৈরি বৃদ্ধি করতে পারলে জীবন মান উন্নয়ন করা সম্ভব। হাতপাখা তৈরির এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন পাখা তৈরীর কারিগররা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!