Logo
শিরোনাম :
ষাটগুম্বজ মযজিদে পর্যটক গণ মানছেন না কোন বিধিনিষেধ শিবগঞ্জ শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ে জেলা প্রশাসক বাগআঁচড়ায় থানা বিএনপির ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় মধুপুরের বহুল আলোচিত পুলিদা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ৪১দিন পর গ্রেফতার ঝিকরগাছা শংকরপুর ইউনিয়নের সাবেক আলীগের নেতার আকষ্মিক মৃত্যু ঘরোয়া পরিসরে একই পোশাকে ঈদ উদযাপন করলো এক হাজি পরিবার ঝিকরগাছা কুলবাড়ীয়া শংকরপুর ফেরিঘাট জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে এক মুসুল্লির মৃত্যু   চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেনের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা চাঁপাইনবাবগঞ্জের চুনাখালি-মহাজনপাড়া ঈদগাঁ’র উদ্বোধন: দেশবাসীকে ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা

রাজৈরে স্কুল শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে ধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে

রাকিব হাসান,মাদারীপুরঃ
মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল শিক্ষার্থীকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান অবস্থায় অপহরণ করে। পরে ছয় দিন আটকে রেখে গণধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে । জমিজমা নিয়ে বিরোধ থাকায় প্রতিবেশিকে হেনস্তা করার জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহন করেছে বলে দাবী নির্যাতিতার পরিবারের। আর এই ঘটনা ঘটানোর পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত চিরঞ্জিত মোড়ল।
পরিবারের লোকজনেরা বলেন, গত ১২ এপ্রিল মাদারীপুরের রাজৈরের আমগ্রামের নিজ বাড়ি থেকে বিভিন্ন কলাকৌশলে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় প্রতিবেশি কৃষ্ণ মোড়লের ছেলে চিরঞ্জিত মোড়ল (২৪)। পরে একটি ঘরে ছয় দিন আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ নির্যাতিতার সকল সদস্যদের। তারপর সবশেষ শুক্রবার রাত ১০ঃ৩০মিনিটের দিকে ঐ স্কুল শিক্ষার্থীর মুখ ও হাত-পা বেঁধে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশে ময়লার ট্যাংকির খানে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে একপর্যায়ে শিক্ষার্থীর ধস্তাধস্তির আওয়াজ শুনে পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় চিরঞ্জিতসহ তার সহযোগিরা। পরে গুরুতর অবস্থায় শিক্ষার্থীকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয় করা।
শিক্ষার্থীর চাচি বলে, জমিজমা নিয়ে বিরোধ থাকায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এমন ঘটনার আর যেন কেহ পুনরাবৃত্তি না ঘটাতে পারে এজন্য চিরঞ্জিতসহ ও তার সহযোগিতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।
শিক্ষার্থীর মা বলেন, মেয়েকে অপহরনের পর ধর্ষণ করে চিরঞ্জিত। পরে ঘটনা ধামাচাপা দিতে হত্যা করে লাশ গুম করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু সেটা ব্যর্থ হয়েছে তারা। এ ঘটনার কঠির বিচার চাই।
রাজৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ সাদী বলেন, শিক্ষার্থী অপহরণ ও ধর্ষনের ঘটনায় মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগে শিক্ষার্থী নিখোঁজ হবার পর পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা হয়েছিল। তারপর থেকেই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে। শুক্রবার রাতে নিখোঁজ শিক্ষার্থী উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারের লোকজন। পরে মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয় নির্যাতিতার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!