Logo
শিরোনাম :
চুনারুঘাট উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজে অনিয়ম কতৃপক্ষের দৃষ্টি প্রয়োজন আশাশুনিতে বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন উপজেলা আ’লীগের সাধা: সম্পাদক শম্ভুজিত মন্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহারাজপুরে ইয়াবা সহ ১ জনকে আটক করেছে র্র্যাব কক্সবাজারের উখিয়ায় শালিশী বৈঠকে সন্ত্রাসী হামলায় আওয়ামী পরিবারের ১০ জন আহত চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে গত বছরের ন্যায় এবারও বিশেষ ট্রেন “ম্যাংগো স্পেশাল” চলবে মাদারীপুরে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত নওগাঁর রাণীনগরে পুলিশের সহায়তায় জীবন বাঁচল আত্মহত্যা চেষ্টাকারী শরিফের শার্শায় মেয়েকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাবা গ্রেফতার পঞ্চগড়ে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরাতে জনসচেতনতামুলক ক্যাম্পেইন

বৃহত্তম মৎস বন্দর আলিপুর মহিপুরে মাছের আকাল!

 

মোঃ মীর মিজান, স্টাফ রিপোর্টার :
বঙ্গোপ সাগরে আশানুরূপ মাছ না পাওয়ার কারনে টলার মালিক ও জেলেদের বুকে চলছে হাহাকার।ফিসিং ট্রলার মালিক,জেলেরা দিন কাটাচ্ছে দুশ্চিন্তা ও হতাশায়। লাখ লাখ টাকা খরচ করে জেলেরা সাগরে গেলেও জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না আশানুরূপ মাছ।

গভীর সমুদ্র থেকে খালি ট্রলার নিয়েও ফিরছেন অনেকে।জেলেরা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে সাগরে মাছের আকাল চলছে।জেলেরা এক বুক আসা নিয়ে গভির সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যায় কাঙ্খিত মাছ না পেলে ট্রলারের খরচই মেটে না,বেতন পাবো কই।

গত কয়েক মাস ধরে এভাবেই চলছে তাদের জিবন যুদ্ধ। প্রতেকটি ফিসিং ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাছ সংকটে বাড়তি দামের পাশাপাশি লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

সরজমিনে দেখা যায়,পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার আলিপুর,মহিপুর বৃহত্তম মৎস্য বন্দরে দেখা যায় ট্রলার ফিরছে মাছ নিয়ে। তবে পরিমাণ একেবারেই কম। আবার অনেক জেলে ফিরেছেন খালি ট্রলার নিয়েই।

জেলেরা বলছেন, সাগরে মাছের আকাল চলছে। জাল ফেলেও মিলছে না মাছের দেখা। ফলে ট্রলারে খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় সামান্য মাছ নিয়ে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন ঘাটে।

এফবি মামনি ট্রলারের মালিক মোঃদুলাল কোম্পানি বলেন, গত বছর এই সময় সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে ৫ হাজার ইলিশ পেয়েছিলো। কিন্তু গত ১২ দিন সাগরে মাছ শিকার করে মাত্র ৩০০টি ইলিশ। অবশেষে খাদ্য শেষ হয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে ফির এসেছে ঘাটে।

আরেক জেলে মোঃসেলিম হাওলাদার বলেন, ট্রলার মালিক ২ লাখ টাকা খরচ দিয়ে ১৭ জন জেলে দিয়ে সাগরে মাছ শিকারে পাঠিয়েছে। কিন্তু ১৫ দিন সাগরে জাল মেরে সাগরে মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। অবশেষে স্বল্প পরিমাণ মাছ পেয়েছিলাম, যা মৎস্য বন্দরে এনে বিক্রি করেছি মাত্র ৪০ হাজার টাকা। ফলে ট্রলার মালিকের লোকসান হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এখন আর ট্রলার মালিক সাগরে পাঠাচ্ছেন না।
এদিকে আলীপুর,মহিপুর মৎস্য বন্দর সব সময় ভরা থাকে সামুদ্রিক মাছে। কিন্তু এখন এই বন্দরেই মাছের আকাল। ফলে মাছের দাম বাড়তি যে কারণে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে দাবি মৎস্য ব্যবসায়ীদের।
মৎস্য ব্যবসায়ী মোঃনান্না মল্লিক বলেন,গভীর সমুদ্রে যখন মাছ কম ধরা পড়ে তখন মৎস বন্দর গুলোতে দাম বেড়ে যায়। এখন মাছের পরিমাণ কম তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরেক ব্যবসায়ী মোঃছালাউদ্দিন বলেন, একে তো মাছের পরিমাণ কম। তার উপর কঠোর লকডাউন। সবমিলিয়ে মহা বিপদে রয়েছি।

মৎস্য আড়ৎ ব্যবসায়ি মোঃজলিল হাওলাদার (মনি ফিস) বলেন, সমুদ্রে কাঙ্খিত পরিমাণ মাছ না পাওয়ায় জেলেদের দিতে হচ্ছে পরিমানে চেয়েও বেশি দাদোন।চালানি মাছ ব্যবসায়িদের কাছ থেকে পারছেনা টাকা আদায় করতে।মাছ কম হওয়ায় চালনি ব্যবসায়িদের হচ্ছে লোকসান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!