Logo
শিরোনাম :
শার্শায় ভাই ভাই ফার্মেসির শুভ উদ্বোধন গর্জনিয়ায় বাড়ি ভাংচুর মারধোর অপহরণ ও হত্যার হুমকি আলোচনার শীর্ষে টিউবওয়েল মার্কার প্রার্থী জাকির হোসেন চৌধুরী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃষ্টিতে রাস্তার বেহাল দশা; সচেতন মহলের দাবি দ্রুত সংস্কারের চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নবাসী স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিএমএসএফ’র উদ্যোগে দোহারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন বাঁশখালীতে বাস সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন গুরুতর আহত কালো জাম মানব দেহে রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে করে শার্শা উপজেলায় সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পাটগ্রামে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে প্রতিবেশী শ্বশুর- বউমা উধাও!

আশাশুনির পাইথালী বাজারের বিসমিল্লাহ স্টোরে পন্যের এমআরপি থেকে বেশি দামে বিক্রির প্রমান মিললো

বি এম আলাউদ্দীন,আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের পাইথালী বাজারের মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরে করোনাকালীন সময়ে ক্রেতার অসহায়ত্বের সুযোগে ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পন্যের এমআরপি থেকে বেশি দামে বিক্রির প্রমান পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঈদের পূর্বদিন সন্ধ্যার পরে উল্লেখিত স্টরে। জানাগেছে, ক্রেতা ২ লিটারের ২টি ক্লেমন নিয়ে দোকানদারকে ২০০ টাকা দিলে ক্রেতাকে সে ৭০ টাকা ফেরত দেয়। এমআরপি অনুযায়ী ৬০ টাকা দরে ১২০ টাকার স্থানে ১৩০ টাকা নেওয়ার কারন জানতে চাইলে দোকানদার ক্রেতাকে বলেন, আমি বেশি দামে ক্রয় করেছি তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। এসময় ক্রেতা বলেন যেখানে কোম্পানী কর্তৃক সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে বেশি নেয়া এটা তো অন্যায়। জবাবে দোকানদার বলেন এটা সিস্টেম। ক্রেতা এবং দোকানদারের দামাদামি সংক্রান্ত কথোপকথন পাশে দাঁড়ানো অন্য একজন কাস্টোমার ভিডিও ধারণ করেন। ভিডিওটিতেও ক্রেতা ও বিক্রেতার কথোপকথন শুনে এমনটি মনে হয়েছে যে, কোম্পানী কর্তৃক নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্য যেটাই হোক না কেন সে তার ইচ্ছামত দামে পন্য বিক্রি করবে।
বিষয়টি নিয়ে মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরের স্বত্বাধিকারী আবুবক্কার ওরফে খোকন গাজীর ছেলে দোকানদার জি এম শামিম এর সাথে কথা বললে তিনি প্রতিবেদককে জানান, আমার দোকানের পণ্য আমি আমার ইচ্ছা মতো দামে বিক্রি করবো। আমি এ বিষয়ে কারো কয়ফিয়ত দেবো না। “দেশের আইন বলে একটা জিনিস আছে, আপনাকে অবশ্যই ভোক্তা অধিকার আইন মেনে চলা উচিত” এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, এতে আর কি হবে বড়জোড় কিছু জরিমানা। সেটা পরে দেখা যাবে।
সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, ইতিপূর্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি, ভেজাল পণ্য বিক্রি ও লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অভিযোগে জরিমানা ও গুনেছেন তিনি। কাস্টমারের সাথে দুর্ব্যবহার এটাতো সাধারণ বিষয় তার জন্য। এভাবেই ব্যবসা করে আজ কোটিপতি বনে গেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী ক্রেতা এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইন খাঁনের পরামর্শ চাইলে তিনি ভুক্তভোগী ক্রেতকে বলেন, কোম্পানী কর্তৃক নির্ধারিত এমআরপি’ই হলো যে কোন পন্যের সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য। এটা আন্যায়। আপনি চাইলে ভোক্তা অধিকার আইনে ওই প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। তাছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারেন।
এদিকে করোনাকালীন সময় সাথে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দোকানদারের এহেন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল ও ক্রেতা সাধারণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!