Logo
শিরোনাম :
চিত্রনায়িকা পরিমনিকে ধর্ষণের চেষ্টা আদমদীঘি সান্তাহারের হোটেল স্টার দখল নেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ বাঁশখালী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৫ গ্রেফতার মাদকের বিরোদ্ধে সবাই ঐক‌্যবদ্ধ হউন, ঘুমধুমে পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার বেড়ায় আ,লীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি ও বালুদস্যু ফজরের নামে মামলা কেশবপুরে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষীদের মাঝে উপকরণ বিতরণ আশুলিয়ায় বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ; পুলিশের ধাওয়ায় নিহত -১ আশাশুনির কেয়ারগাতি বেড়ীবাঁধের জরাজীর্ণ অবস্থা জরুরী অক্সিজেন সেবা চালু করলো এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন আফ সাতক্ষীরা গভ.হাই স্কুল ঘুমধুমস্থ রেডিয়েন্ট গার্ডেন পরিদর্শনে পুলিশ সুপার জেরিন আকতার

বদরগঞ্জের মমিনুল হত্যাকাণ্ডে হুমকির মুখে পরিবারের সাংবাদিক সম্মেলন

আফরোজা সরকার, রংপুরঃ
রংপুরের বদরগঞ্জে মমিনুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১২ আসামীর মধ্যে মাত্র দু’ আসামী গ্রেফতার হলেও বাকীরা রয়েছেন বহাল তবিয়তে। এদিকে দু’ আসামীর একজন মাত্র পাঁচদিন পরই আদালতের নির্দেশে হাজত থেকে মুক্ত হয়েছেন। আর ওই আসামী জেলহাজত থেকে বের হওয়ার পর মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি-ধামকিসহ পুরো পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন। এ অবস্থায় মমিনুলের দু’ শিশু সন্তানসহ পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। গতকাল রোববার(০৬জুন) বিকেলে বদরগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী করেছেন নিহত মমিনুলের স্ত্রী শাহনাজ পারভিন। এসময় তার কোলে ছিল শিশু সন্তান নূসরাত জাহান ও তাবাসসুম। এতে উপস্থিত ছিলেন নিহত মমিনুলের বাবা আব্দুস সামাদ, শ্যালক সোহরাব হোসেন, ভগ্নিপতি মাহমুদুল ইসলাম সবুজ, শাশুড়ি সোহরা বেগম।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১১মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় রাধানগর ইউনিয়নের পাঠানেরহাটে জমির ধান কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ ইয়াছিন আলী মাস্টারের নির্দেশে ননদ মাহামুদুল ইসলামকে কয়েকজন মারধর করতে থাকে। এ দৃশ্য দেখে বাবা আব্দুস সামাদ তাকে উদ্ধার করতে গেলে তিনি মারধরের শিকার হন। তার চিৎকারে ছেলে মমিনুল হক ও মোকলেছুর রহমান এগিয়ে আসলে তারাও বেধড়ক পিটুনির শিকার হন। স্থানীয়রা মারাত্মক আহতাবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। কিন্তু তাদের শারীরীক অবস্থার চরম অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষনিকভাবে তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন মমিনুল হক মারা যায়। ওইদিন বাবা আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে ১২জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-২০জনকে আসামী করে বদরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দেন। আর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান বদরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক সাদ্দাম হোসেন। মামলা দায়ের পর এজাহারভুক্ত আসামী মেনহাজুল ইসলাম এবং  আলামিনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত আর কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। এদিকে মাত্র পাঁচদিন পরই আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে আসামী আলামিন। সে জামিনে মুক্ত হয়েই মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। একই ধরণের হুমকি দিচ্ছে অন্যান্য আসামীর স্বজনরা। ফলে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে শাহনাজকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। অথচ আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছেনা। স্ত্রী শাহনাজ পারভিনের দাবী- আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। এজন্য তিনি উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এব্যাপারে জানত চাইলে মামলার তদন্ত অফিসার উপপরিদর্শক সাদ্দাম হোসেন বলেন, নিহত মমিনুলের পরিবার হুমকিতে রয়েছে বিষয়টি জানা ছিলনা। তবে খেঁাজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর পাশাপাশি বাকী আসামীদের ধরতে জোর তৎপরতা চালানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!