Logo
শিরোনাম :
সাংবাদিক ফয়সাল রাকিব’র জন্মদিন উদযাপন নওগাঁর পোরশা বিষ্ণপুর গ্রামে BNP এর জোড়পূর্বক হাসুয়া রামদার ভয় দেখিয়ে জমি দখল শার্শার বিশিষ্ট বস্ত্র ব্যাবসায়ীর আকষ্মিক মৃত্যু নদী ভাংঙ্গ মেঘনা পাড়ের মানুষের কাছে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম আম রাজ্যের তিন রাজার গল্প নাইক্ষ্যংছড়ি বাজার কখন সিসি ক্যামরার আওতায় আশাশুনির গুনাকরকাটি দরবার শরীফ মসজিদের দানবক্স থেকে টাকা চুরি চেয়ারম্যানকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলার নিষ্পত্তি চায় এলাকাবাসী রূপগঞ্জে সাংবাদিকের রিয়াজের উপর সন্ত্রাসী হামলা, অবস্থা আশঙ্কাজনক ঝিকরগাছা বড়পোদাউলিয়ায় রাস্তা দখল করে প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ

বাঁশখালীতে আসহায় উদ্দিন সড়কের বেহাল দশা শ্রীঘ্রই সংস্কারের আশ্বাস (ইউএনও)

মোহাম্মদ এরশাদ
বাঁশখালী প্রতিনিধি:
দুই পাশে নালা না থাকায় হালকা বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়। এভাবে বেশ কয়েক দিন জলাবদ্ধ থাকায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে ও ভেঙে গিয়ে এটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের গুনাগরী অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক, এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে যাত্রীরা ভোগান্তি পোহান। উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূ এলাকা গুনাগরী চৌমুহনী, উত্তরে চট্টগ্রাম শহর, দক্ষিনে কক্সবারজার জেলা, পশ্চিম উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত এলাকা, পূর্বে সাতকানিয়া তথা বান্দরবন জেলায় যোগাযোগের নাভী হচ্ছে গুনাগরী চৌরাস্তার মোড়, পশ্চিম বাঁশখালী উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারচরা, খানখানাবাদ কালীপুরের কিছু অংশের মানুষের এবং সমুদ্র সৈকতে আসা পর্যটকদেরও যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হচ্ছে গুনাগরী চৌমুহনী টু খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত (অধ্যাপক আসহাব উদ্দিন সড়ক) এই সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারহীন হয়ে পড়ে আছে। হলকা বৃষ্টি হলেই এই সড়কের বেহাল দশা, চলাচলের উপযোগী না থাকলেও চলাচল করতে বাধ্য সাধারণ মানুষ।
এই সড়কে বৃষ্টির পানি সরানোর ব্যবস্থা না থাকায় গুনাগরী মোড় হইতে পশ্চিম এক কিলোমিটার জুড়ে আটকে থাকে পানি। সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। একই কারণে ওই অংশে সংস্কার করা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। কালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এড. আ.ন.ম শাহাদত আলম ব্যাক্তিগত উদ্যোগে দুই বার এই সড়কের গুনাগরী অংশে ইট ও বালি দিয়ে সংস্কার করলেও কিছু দিন পর একই অবস্থা সড়কের। সংস্কারহীন হয়ে পড়ে থাকা এই সড়ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা ও সংস্কারের দাবীতে এলাকাবাসীরা।
বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ও কালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আ.ন.ম শাহাদত আলম বলেন, অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক বাঁশখালী বাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সড়কটি স্থানীয়ভাবে সংস্কার অতি জরুরী, বিশেষ করে সড়কের দুই পাশে নালা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কয়েক বার মেরামত করছি, কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতে একই অবস্থা হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে আমি আমাদের অভিভাবক আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এম.পি মহোদয়ের সাথে কথা বলে স্থায়ী সংস্কারের জন্য চেষ্টায় আছি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বাঁশখালীর অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক সংস্কারের জন্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়ক এর এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এলজিইডি এর কাজ, এ জন্য আমি প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করে এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে, আশা করি খুব শ্রীঘ্রই উন্নয়নের কাজ হয়ে যাবে।

বাঁশখালীর গুনাগরীতে সড়কে নালা না থাকায় জলাবদ্ধতা, জন ভোগান্তি
ছৈয়দুল আলম, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
দুই পাশে নালা না থাকায় হালকা বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়। এভাবে বেশ কয়েক দিন জলাবদ্ধ থাকায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে ও ভেঙে গিয়ে এটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের গুনাগরী অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক, এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে যাত্রীরা ভোগান্তি পোহান। উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূ এলাকা গুনাগরী চৌমুহনী, উত্তরে চট্টগ্রাম শহর, দক্ষিনে কক্সবারজার জেলা, পশ্চিম উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত এলাকা, পূর্বে সাতকানিয়া তথা বান্দরবন জেলায় যোগাযোগের নাভী হচ্ছে গুনাগরী চৌরাস্তার মোড়, পশ্চিম বাঁশখালী উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারচরা, খানখানাবাদ কালীপুরের কিছু অংশের মানুষের এবং সমুদ্র সৈকতে আসা পর্যটকদেরও যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হচ্ছে গুনাগরী চৌমুহনী টু খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত (অধ্যাপক আসহাব উদ্দিন সড়ক) এই সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারহীন হয়ে পড়ে আছে। হলকা বৃষ্টি হলেই এই সড়কের বেহাল দশা, চলাচলের উপযোগী না থাকলেও চলাচল করতে বাধ্য সাধারণ মানুষ।
এই সড়কে বৃষ্টির পানি সরানোর ব্যবস্থা না থাকায় গুনাগরী মোড় হইতে পশ্চিম এক কিলোমিটার জুড়ে আটকে থাকে পানি। সড়কে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। একই কারণে ওই অংশে সংস্কার করা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। কালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এড. আ.ন.ম শাহাদত আলম ব্যাক্তিগত উদ্যোগে দুই বার এই সড়কের গুনাগরী অংশে ইট ও বালি দিয়ে সংস্কার করলেও কিছু দিন পর একই অবস্থা সড়কের। সংস্কারহীন হয়ে পড়ে থাকা এই সড়ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা ও সংস্কারের দাবীতে এলাকাবাসীরা।
বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ও কালীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আ.ন.ম শাহাদত আলম বলেন, অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক বাঁশখালী বাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সড়কটি স্থানীয়ভাবে সংস্কার অতি জরুরী, বিশেষ করে সড়কের দুই পাশে নালা স্থাপন করা প্রয়োজন। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কয়েক বার মেরামত করছি, কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতে একই অবস্থা হয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে আমি আমাদের অভিভাবক আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এম.পি মহোদয়ের সাথে কথা বলে স্থায়ী সংস্কারের জন্য চেষ্টায় আছি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, বাঁশখালীর অধ্যাপক আসহাব উদ্দীন সড়ক সংস্কারের জন্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়ক এর এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, এলজিইডি এর কাজ, এ জন্য আমি প্রকৌশলীর সাথে আলাপ করে এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে, আশা করি খুব শ্রীঘ্রই উন্নয়নের কাজ হয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!