Logo
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কলারোয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের মানসম্মান রক্ষায় সাধারণ ডায়েরী উজিরপুর উপজেলার প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের স্মরণে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের পর হত্যা; খুনি গ্রেফতার শার্শায় নৌকার মনোনয়ন জেরে হামলা: ইউপি সদস্যসহ আহত ২০ রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কলামিস্ট মীর আব্দুল আলীমের পিতৃবিয়োগ চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে ফায়ার সার্ভিসের অনন্য দৃষ্টান্ত ; জীবন বাঁচালো শালিক পাখির পটুয়াখালীর দশমিনায় ছাত্রদলের কর্মিসভা অনুষ্ঠিত আহমদিয়া ডলমপীর (রাঃ) সিনিয়র মাদ্রাসায় বার্ষিক ঈদে মিল্লাদুদ্নবী (সাঃ) সম্পন্ন মধুপুরে আনারস ও পেয়ারা প্রক্রিয়াজাতকরণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রশিক্ষণ

কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়ন ৪টি সংযোগ ব্রিজের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে হাজার মানুষ

 

মোঃ সাইমুন ইসলাম  পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

ব্রিজে উঠলেই ব্রিজ ভাঙ্গার আতঙ্কে থাকেন পথচারীরা!!

পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়নের (১)আসালতখাঁ ব্রিজ, (২) বড়হরপাড়া ব্রিজ (৩) সাধুর ব্রিজ (৪) তাহেরপুর ব্রিজ দিয়ে দর্শনীয় স্থান মিশ্রপাড়া বৌদ্ধ মন্দির সহ লাল কাঁকড়ার চর সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার জন্য ও আলিপুর, ধুলাসার ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বড়হরপাড়া, নতুনপাড়া, ও আসালতখাঁ পাড়া, মম্বীপাড়া, তাহেরপুর এর মধ্যবর্তী ব্রিজ গুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজ গুলো পার হচ্ছে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীসহ ইউনিয়নে হাজারো মানুষ।

দ্রুত সংস্কার করা না হলে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ভুক্তভোগীরা দ্রুত ব্রিজ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় কলাপাড়া উপজেলার ৭নং লতাচাপলী ইউনিয়ন ও ধুলাসার ইউনিয়নের হাজারো মানুষের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এই ব্রিজ গুলো নির্মাণ করা হয়েছিল।

ব্রিজগুলোর উপরের দু পাশের লোহার পাত ও ব্রিজের মাঝের অংশ ভেঙ্গে ও নিচের লোহার পিলার ভেঙ্গে ফাকা হয়ে গেলে স্থানীয়রা লতাচাপলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আনছার উদ্দিন মোল্লা কে তার মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে স্থানীয়দের সমস্যার কথা বলে কর্তৃপক্ষের নজরে আনার আহ্বান জানান।

এ বিষয় লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা সাথে মুঠো কথা বললে, তিনি সাংবাদিকদের বলেন,আমি ব্রীজ সংস্কার ও তৈরীর জন্য এলজিডির কর্মকর্তাদেরকে অবগত করলে তারা সরেজমিনে এসে ব্রিজ ও পানি পরিমান মেপে ব্রিজটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি। তিনি আরো বলেন, আমি এ বিষয়গুলো নিয়ে মন্ত্রনালয় পর্যন্ত গিয়েছি কিন্তু এর কোনো প্রতিকার প্রতিফলন পাইনি। সংস্কার না করায় বর্তমানে ব্রিজটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

ওই ব্রিজ গুলো দিয়ে স্থানীয়রা ও একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,ও একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ সহ একাধিক হাফিজি মাদ্রাসা ছাত্র ছাত্রী সহ হাজারো মানুষ চলাচল করে।

নড়বড়ে ও ভেঙে যাওয়া ব্রিজ গুলো দিয়ে শিক্ষার্থীরা পর্যাটকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়া ব্রিজ দিয়ে ছোট ও মাঝারি যানবাহন চলাচল করাতে না পারায় বিপাকে পড়েছে অটোবাইক,টমটম, ট্রাক, টেম্পো, রিকশা ও ভ্যানসহ অভ্যন্তরীণ রুটের যানবাহনের যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সিমেন্টের ঢালাই দেয়া লোহার স্লিপারগুলোর বেশির ভাগই ভেঙে পড়েছে। ক্রস অ্যাঙ্গেলগুলো মরিচা ধরে ব্রিজগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে প্রায়।

সরেজমিনে গিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বললে, তারা বলেন আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা ব্রিজ পার হয়ে বিদ্যালয়ে আসতে যেতে হয়। দ্রুত এ ব্রিজগুলো নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!