Logo
শিরোনাম :
হবিগঞ্জে পুলিশ সুপার মুরাদ আলীর পচেষ্টায় ১৩০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেল ৪৪ জন পরীক্ষামূলকভাবে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি ৩৩ কেভি লাইনের বিদ্যুৎ চালু পোরশা সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশী আটক বটিয়াঘাটা দলিল লেখক সমিতি নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় সভায় যোগদান বটিয়াঘাটা দলিল লেখক সমিতি নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় সভায় যোগদান আলীকদমে গৃহহীনদের ঘর নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতি, ইউএনও কর্তৃক মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল বাগআঁচড়ায় নৌকায় ভোট চাইলেন জেলা ছাত্রলীগ বঙ্গমাতা পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা সাজেদা চৌধুরী সভাপতি ও আনিছুর রহমান সম্পাদক পাবনায় মাছ শিকার করে ৪ লাখ টাকা পুরষ্কার জিতলেন দুই ব‍্যবসায়ী সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত ১২নং ওয়ার্ড গড়তে এম.এ মনজুরের বিকল্প নেই

চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরবাগডাঙ্গা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বর্তমান চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ

১ম পর্ব—
ফয়সাল আজম অপু, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি কেউ কেউ লিপ্ত হচ্ছেন অপপ্রচারে। জনসাধারণের মনে অনাস্থা তৈরি করতে নানা অভিযোগ আনা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। এমন এক অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার ১২ নং চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপু।

চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপুর অভিযোগ, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। জানা যায়, কয়েক দিন আগে স্থানীয় সংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করেন কিছু ব্যাক্তি সহ চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলি। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে ৩ শতাধিক মানুষের উপস্থিতি। তারা সকলে বলেন টিপু চেয়ারম্যান তার নির্বাচনী এলাকার হতদরিদ্র মানুষের নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, স্যানিটেশন সমস্যার সমাধান, রাস্তা ঘাট মেরামত, নদী ভাঙ্গন রোধে ব্যাপক ভূমিকা, কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ, কালভাট, ইদগাহ মাঠ নির্মান, শহীদ মিনার নির্মান সহ অনেক উন্নয়ন করেছেন।

এবং সেই সাথে সন্ত্রাস নির্মূলে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। তাদের অনেকেই বলেন, টিপু চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই চোর পেটানোর ভিডিও ভাইরাল করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত রবিবার (১৭ অক্টোবর) চরবাগডাঙ্গা বাজারে মাল্টিমিডিয়া কেজিস্কুলে প্রাইভেট পড়ার সময় তারেক নামে এক ছাত্রের সাইকেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় শহিদুল নামে একজন চোরকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয়রা। আটকের পর তাকে নিমগাছের সাথে বেঁধে বেধরক পেটায় সাইকেল মালিক সহ তার সহপাঠীরা।

সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলীর লোকজন চোরকে পেটানোর পর ইউনিয়ন পরিষদে জমা দিয়ে আসতে বলেন। সাইকেল মালিক ওমর চেয়ারম্যানের ভাতিজা তারেক সহ স্থানীয়রা চোরকে পেটাতে পেটাতে ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের নিকট জমা দেয়। ঐ ইউনিয়নে বিগত সময় কয়েকটি সাইকেল গরু সহ মালামাল চুরি হয়ে থাকার কারনে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা চোরের উপর মারমুখী আচরণ করে। চেয়ারম্যান টিপু বাধ্য হয়ে মারমুখী জনগনকে বুঝিয়ে চোরকে নিজ ঘরে নিয়ে গিয়ে মারধর করে ছেড়ে দেয়। এই মারধরের ভিডিও ধারন করে সাইকেল মালিক ওমর চেয়ারম্যানের ভাতিজা তারেক। অতঃপর পরবর্তী সময়, ভিডিওটি সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলীকে দেয়।

সেই সুযোগে সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলী ভিডিওটি নিজ আইডি থেকে পোস্ট করেন। এবং বিভিন্ন জনকে দিয়ে পোস্ট করিয়ে ভাইরাল করেন, বর্তমান চেয়ারম্যান টিপুর ভাবমূর্তি নষ্ট করেন বলে অভিযোগ করেন বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপু।
প্রকাশিত সংবাদটিকে তিনি উদ্দেশ্য প্রনোদিত আখ্যা দিয়ে বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। মুলত আমার জনপ্রিয়তা ও নেতাকর্মীদের আমার প্রতি ভালোবাসা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে আগামী নির্বাচন উপলক্ষে জনগনের কাছে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

অতীত জীবন থেকে প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে জড়িত থেকে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, হত-দরিদ্র জনগণকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে সকলের প্রাণ ছুঁয়েছেন চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপু। চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন সাধারণ জনগণ বলেন তিনি একজন প্রতিবাদী এবং পরোপকারী। তারমতো মিষ্টভাষী, সৎ ও ন্যায় পরায়ণ একজন ব্যক্তিকে এই ইউনিয়নে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে প্রয়োজন। ১২ নং চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপু বলেন, আমি শৈশব কাল থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ হৃদয়ে লালন করে বেড়ে উঠেছি।

এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, জনপ্রিয়তা ও উন্নয়নের প্রতি ঈর্ষান্তিত হয়ে নির্বাচনের আগে নিজের ভরাডুবি বুঝতে পেরে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলী পরিকল্পিত ভাবে এটা করেছেন। তিনি আরও বলেন, চোর শহিদুল আমার দুঃসম্পর্কের ভাগ্নে হয়। সে একজন পেশাদার চোর, মাদক সেবন করে নষ্ট হয়ে গেছে। তাকে আমি ভাগ্নে হিসেবে শাসন করেছি। সে পাশের শাজাহানপুর ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের আমার দুলাভাই মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে। মারধরের পরও তার বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল আমার উপর কোনো অভিযোগ না করে আমার নিকট এসে জনগনের রোষানল থেকে বাঁচানোর জন্য কৃতঙতা জানিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের মধ্যে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে। মুলত নির্বাচনে আমাকে পরাজিত করতে এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি পুলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন অবগত।
তিনি আরও বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ওমর আলীর বিরুদ্ধে ইউনিয়নবাসীর পাহাড়সম অভিযোগ রয়েছে।
(চলবে)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!