Logo
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেস ক্লাবের আহবায়ক কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, দ্রুত নির্বাচন দাবী তৃণমূল সংগঠনে জাগরণ সৃষ্টি করবে মহিলা দল- বান্দরবানে অ্যাড. শানু চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ১৩ ইউনিয়নে ভোটের সকল প্রস্তুতি স্বম্পন্ন।। রাত পোহালেই ভোট কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন আ’লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত অর্ধ শতাব্দী পর রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন থিয়েটার চালু হবিগঞ্জে পুলিশ সুপার মুরাদ আলীর পচেষ্টায় ১৩০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেল ৪৪ জন পরীক্ষামূলকভাবে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি ৩৩ কেভি লাইনের বিদ্যুৎ চালু পোরশা সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশী আটক বটিয়াঘাটা দলিল লেখক সমিতি নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় সভায় যোগদান বটিয়াঘাটা দলিল লেখক সমিতি নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় সভায় যোগদান

খুলনার সাংবাদিক ইকরামুল কবিরকে হুমকির ঘটনায় বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবের নিন্দা

মহিদুল ইসলাম( শাহীন) খুলনা,
আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে খুলনার দৌলতপুর দেয়ানা ৪নং ওয়ার্ডে অবৈধভাবে একশত বছরের পুরাতন জলাশয় (পুকুর) ভরাট করছেন হারুন-অর-রশিদ নামের এক ব্যক্তি। এ নিয়ে ক্ষুদ্ধ ভুক্তভোগীরা। জলাশয় রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে খুলনা জেলা প্রশাসক, সিটি কর্পোরেশন, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা। এছাড়া এ সংবাদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের জলাশয় ভরাট বন্ধে আবেদন করায় দি নিউনেশন ও দৈনিক আমার সংবাদের খুলনা ব্যুরো প্রধান সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ একরামুল কবিরকে রাম’দা নিয়ে ধাওয়া করে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। এই ব্যাপারে ২৩ নভেম্বর দৌলতপুর থানায় তিনি একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অন্য দিকে সিনিয়র সাংবাদিক একরামুল কবিরকে প্রান নাশের হুমকি দেওয়া ব্যক্তিদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। বিবৃতি দাতারা হলেন সভাপতি অধ্যাপক এনায়েত আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম শাহীন, সহ সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, হিরামন মন্ডল সাগর, অমলেন্দু বিশ্বাস, সহ সম্পাদক ইমরান হোসেন সুমন, শাহীন বিশ্বাস, সোহরাব হোসেন মুন্সি, কোষাধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাকির হোসেন, আইন বিষয় সম্পাদক এ্যাডঃ সোহেল রানা, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন, তথ্য বিষয় সম্পাদক তানভীর রহমান শাওন, সাংবাদিক বিপ্রদাশ রায়,অজিত কুমার রায়, সৌরভ বাছাড়, কাজি আতিক, মুরাদ হোসেন হানিফ, তুরান হোসেন রানা, রুবেল গোলদার প্রমুখ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুলনার দৌলতপুর দেয়ানা মৌজার সাবেক -৯১৯ খতিয়ানের এখতিয়ার ভুক্ত ২৩৮৮ নং দাগ (পুকুর) ২৩৮৯ দাগ (ডাঙ্গা জমি) এর কিছু জমি মৃত শেখ ছেমমোতুল্লাহ এর পুত্র হারুন-অর-রশিদ তার মেয়ের নামে ক্রয় করে। তবে একরামুল কবির লিখিত অভিযোগে বলেন, তার বাবা ঐ জমির পূর্বের অংশীদারদের বিরুদ্ধে বাটোয়ারা মামলা ২০/৯০ করে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রায় আমাদের পক্ষে আসার পরেও জমিটি বর্তমানে অবৈধ দখলদার হারুন অর-রশিদ আপোষে ছেড়ে না দেওয়ায় অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে উচ্ছেদ জারী মামলা ৩/১৫ রুজু করার পর বিবাদী এক পক্ষ উচ্চতর আদালত ঢাকা হাইকোর্টে মামলা করে হেরে যায়।

আমরা অবৈধ দখলদারদের ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ দিয়ে উচ্ছেদ করার জন্য আলাদতের নির্দেশে টাকা জমা দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র আদেশের অপেক্ষায় আছে। উপরের বর্ণিত এই দুই দাগের জমি নিয়ে হারুন-অর-রশিদ একবার গোন্ডগোল করে নিজেই বিজ্ঞ খুলনা অতিরিক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৪/১৪৫ ধারায় একটি অভিযোগ করলে বিজ্ঞ আদালত নালিশী সম্পত্তিতে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

একরামুল কবির আরও বলেন, গত ২১ ননভেম্বর এ বিষয়ে খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করি। আমার অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিচালক মহোদয় একজন সহকারী পরিচালকে ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্তের জন্য পাঠালে আমার অভিযোগটি সত্যতা পাওয়া পর তাদেরকে বালু ভরাটের কাজ সম্পূর্ন বন্ধের নির্দেশ দিলে পরের দিন ২২ নভেম্বর হারুন-অর-রশিদ আরো বেশি লোকজন নিয়োগ করে বালু ভরাট করা অবস্থায় আমি ২৩ নভেম্বর বেলা পৌনে ১২টায় হারুনকে মেশিন দিয়ে বালু ভরাটের কাজ বন্ধ রাখার জন্য বললে, তার ভাগ্নে সবুজ সহ ভাড়াটিয়া মাস্তান দিয়ে রাম’দা সহকারে আমাকে তাড়া করলে আমি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে আসি।

ঘটনাস্থলে হারুন-অর-রশিদ ঘরের ভিতর থেকে তাদেরকে বলে ‘‘ধরে ওর হাত পা ভেঙ্গে দে, ওর এতো বড় সাহস আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। কি ধরনের সাংবাদিক হয়েছে বুঝাইয়া দে’’ ছবিতে যাদের দেখা যাচ্ছে তাদের মধ্যে আমি একজনকে চিনি, সে হারুনের আত্মীয় দেয়ানার এবাদ মোড়লের পুত্র সবুজ।

তিনি আরও বলেন, আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের রাম দা সহ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও করি। আমি তাদের ভয়ে সেখান দৌড়াইয়া প্রাণ বাঁচাই। তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে তোকে যেখানে পাবো সেখানে সাংবাদিকতা করা, ছবি তোলা চিরদিনের জন্য ঘুচিয়ে দেব। তাদের এর হুমকির প্রেক্ষিতে আমি ও আমার পরিবারের সকলেই জীবনাশের ভয়ে শংঙ্কিত। যে কোন মুহুর্তে তারা আমাদের যে কোন ক্ষয়-ক্ষতি করতে পারে। এ ব্যাপারে সাংবাদিক একরামুল কবির পুলিশ কমিশনার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন জানান, আমরা অভিযোগটি পেয়েছি এবং এ বিষয়ে তদন্তের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Theme Created By ThemesWala.Com
error: Content is protected !!