সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
শার্শা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক মোস্তফা কামাল মিন্টুর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে শার্শায় মানববন্ধন বেনাপোলে সোহাগ হত্যাচেষ্টার গ্রেফতার নেই,উদ্ধার হয়নি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র। যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ, আটক ১ রাজধানীতে ডিবির জালে যশোরের বহিষ্কৃত যুবদল নেতা জনি পানির সংকটে বাড়ছে উৎকণ্ঠা, কালশী বস্তির ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৩ ইউনিট কালিহাতিতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ ঈদে টানা ৭ দিন বন্ধ থাকছে বেনাপোল বন্দর, তবে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক শার্শায় শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ, বৃদ্ধ আটক শার্শায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ কলাবাগানে ডেকে নিয়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, এক মাস পর শ্বশুর গ্রেফতার

কেশবপুরে মাছের ঘেরের বিরোধে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের নামে মামলা

Reporter Name / ৫৯৭ Time View
Update Time : সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
Oplus_131072

এনামুল কবির সবুজ কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধিঃ
যশোরের কেশবপুরে ঘেরে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের সারুটিয়া গ্রামের মাছের ঘের ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় এ মামলাটি করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন, সুফলকাটি ইউনিয়নের আলমগীর সরদার, দীনু বিশ্বাস, মিকাইল মোল্যা, মামুন, মিজানুর রহমান, সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর রহমান, ওই ইউনিয়নের ফয়সাল মোড়ল, শফিকুল গাজী, সবুজ মোড়ল, আবুল কাশেম, ইব্রাহিম হোসেন, আম্মার সরদার, বক্কার সরদার, বজলু সরদার, দাউদ সরদার, সাইফুল সরদার ও সমর কুন্ডুসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুফলাকাটি ইউনিয়নের ছোট বিলের মধ্যে ঘের ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাসের লিজকৃত ৮৫ বিঘা মাছের ঘের রয়েছে। সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর রহমানের সঙ্গে তার ওই মাছের ঘের নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে গত ১৪ নভেম্বর সকালে মামলায় উল্লেখিত ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন মাছের ঘেরে ঢুকে জেলেদেরকে হুমকি দিয়ে মাছ ধরার কাজ বন্ধ করে দেয়।

এ সময় তার ছেলে মামুন বিশ্বাস, চাচাতো ভাই ইকবল সরদার, বিল্লাল সরদার, আব্দুল্লাহ মাছ ধরতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে মুনজুর রহমানের নির্দেশে তাদেরকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে তাদেরকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান শরীফুল ইসলাম বলেন, ঘেরে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ঘের ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বিশ্বাস বাদি হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করেছেন। মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *