রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
কায়বা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন গ্রেপ্তার ভারতের জেল থেকে মুক্ত ৫ বাংলাদেশি নারী, বেনাপোল দিয়ে ফেরত বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ যশোরে ১৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন গ্রেপ্তার অসুস্থ সাবিরা নাজমুল এমপির খোঁজ নিলেন শার্শা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বনবিভাগের গাছের নামে সওজের সরকারি জমির শতবর্ষের সম্পদ উজাড়! ৫ লাখ টাকার মেহগনি কাটায় তোলপাড় অনলাইন জুয়ার মূল হোতা ‘সুন্দরী আর্জেন্টিনা সমর্থক’ আটক নাভারণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রর্থী হিসাবে তারুণ্ চাই সাধারণ ভোটাররা শার্শা সীমান্তে ৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশার সিরাপ উদ্ধার শার্শায় ট্রাক্টর-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১

ডিজেলের বাজারে অস্থিরতা লিটার ও কেজির মারপ্যাঁচে ঠকছেন কৃষক

Reporter Name / ৭০ Time View
Update Time : রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্তবর্তী বাগআঁচড়া ও রুদ্রপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার হাটবাজারগুলোতে ডিজেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেজি প্রতি অনেক বেশি দামে ডিজেল বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। এতে সেচ মৌসুম ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের এই সময়ে পকেট কাটছে সাধারণ প্রান্তিক কৃষকদের।

 

​সরকারি হিসাবে বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা। জ্বালানি তেলের ঘনত্ব অনুযায়ী ১ লিটার ডিজেলের ওজন হয় প্রায় ৮৪০ গ্রাম। সেই হিসেবে ১ কেজি ডিজেলের দাম হওয়ার কথা প্রায় ১৩৬.৮৫ টাকা। অথচ বাগআঁচড়া ও রুদ্রপুর এলাকার মুদি দোকানগুলোতে প্রতি কেজি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা দরে। অর্থাৎ কেজি প্রতি কৃষকদের কাছ থেকে প্রায় ৩৮ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে।

 

​রুদ্রপুর বাজারের মুদি ব্যবসায়ী রফিক কাজী জানান, “আগে আমরা ১২৪ টাকা কেজি দরে ডিজেল কিনে বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন পাইকারি পর্যায়েই আমাদের চড়া দামে ডিজেল কিনতে হচ্ছে। ফলে ১৭৫ টাকার নিচে বিক্রি করার কোনো উপায় নেই।” ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারেই সিন্ডিকেটের কারণে দামের এই অস্বাভাবিক তারতম্য।

 

​শার্শা ও ঝিকরগাছার প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকরা জানান, যাতায়াত খরচ ও দূরত্বের কারণে তারা পাম্পে না গিয়ে হাতের কাছের মুদি দোকান থেকেই ডিজেল কেনেন। এই সুযোগটিই নিচ্ছেন এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। চাষীরা যখন গ্রামের ছোট দোকান থেকে ডিজেল কেনেন, তখন তাদের আরও চড়া মূল্য দিতে হয়।

 

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, “সরকার দাম কমালো কি বাড়ালো সেটা আমাদের কোনো কাজে আসে না। গ্রামের দোকানে যে দাম চায়, আমাদের বাধ্য হয়ে সেই দামেই কিনতে হয়। দেখার যেন কেউ নেই।”

 

​বড় বড় ব্যবসায়ীরা ন্যায্য মূল্যের পরিবর্তে সিন্ডিকেট করে চড়া দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে তেলের এই কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা হোক।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *