রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
কায়বা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন গ্রেপ্তার ভারতের জেল থেকে মুক্ত ৫ বাংলাদেশি নারী, বেনাপোল দিয়ে ফেরত বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ যশোরে ১৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ২ জন গ্রেপ্তার অসুস্থ সাবিরা নাজমুল এমপির খোঁজ নিলেন শার্শা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বনবিভাগের গাছের নামে সওজের সরকারি জমির শতবর্ষের সম্পদ উজাড়! ৫ লাখ টাকার মেহগনি কাটায় তোলপাড় অনলাইন জুয়ার মূল হোতা ‘সুন্দরী আর্জেন্টিনা সমর্থক’ আটক নাভারণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রর্থী হিসাবে তারুণ্ চাই সাধারণ ভোটাররা শার্শা সীমান্তে ৪৮৬ বোতল ভারতীয় নেশার সিরাপ উদ্ধার শার্শায় ট্রাক্টর-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১

সংবাদ প্রকাশের পর সেই যমজ প্রতিবন্ধী ভাই পেল দুটি হুইলচেয়ার

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update Time : রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে নিজের পায়ে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, একটি হুইলচেয়ারের অভাবে ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি ছিল যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের যমজ দুই প্রতিবন্ধী ভাই সাজেদুল ইসলাম মাহি ও সাকিবুল ইসলাম রাফি। অবশেষে সংবাদ প্রকাশের পর তাদের জীবনে এলো স্বস্তির পরশ।

শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের দিনমজুর শরিফুজ্জামান মিলন ও তাসলিমা আক্তার দম্পতির এই দুই সন্তান জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধিতার সঙ্গে লড়াই করে আসছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাদের চিকিৎসা যেমন সম্ভব হয়নি, তেমনি চলাচলের জন্য একটি হুইলচেয়ারের ব্যবস্থাও করতে পারেনি পরিবারটি।

সম্প্রতি অসহায় এই পরিবারের জীবনসংগ্রাম ও যমজ দুই ভাইয়ের দুর্বিষহ বাস্তবতা তুলে ধরে বিবিএস নিউজ ২৪’ সহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদটি শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলে ওয়াহিদের নজরে এলে তিনি দ্রুত মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

সোমবার বিকেলে ইউএনও মো. ফজলে ওয়াহিদের উদ্যোগে মাহি ও রাফির জন্য দুটি হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়। তাঁর পক্ষে হুইলচেয়ার দুটি পরিবারের হাতে তুলে দেন ৭ নম্বর কায়বা ইউনিয়নের প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নাজমুল হাসান।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর সন্তানদের চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে পরিবারটি। যমজ দুই ভাইয়ের পক্ষে হুইলচেয়ার গ্রহণ করেন তাদের দাদি মমতাজ বেগম ও ফুফু নারগিস পারভীন। তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরায় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের প্রতিও ধন্যবাদ জানান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগ পরিবারটির দীর্ঘদিনের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করবে। তবে শুধু হুইলচেয়ার নয়, যমজ দুই ভাইয়ের উন্নত চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং নিরাপদ বসবাসের জন্য একটি উপযুক্ত ঘরের ব্যবস্থা করাও জরুরি। এজন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও সমাজসেবী সংগঠনগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *