রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
শার্শায় ৫০ পিস ইয়াবাহ গ্রেপ্তার ১ হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির কেন আমাদের পাহারা দিতে হবে? বাংলাদেশ সবার -জাহাঙ্গীর হোসেন কাগজপুকুর-কাগমার সড়কের দুর্ভোগ দ্রুত দূর করতে চাই—ইমদাদুল হক ইমদা ঝিকরগাছায় ২ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ বেনাপোলে ব্যবসায়ী সংগঠন দখলে মনগড়া কমিটি গঠনের অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে বাগআঁচড়ার সামটা টেংরা একাদশের খেলোয়াড়দের জার্সিউপহার দিলেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন স্ক্যানিং পয়েন্টে অসুস্থ যাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক নিপীড়ন: কাস্টমস কর্মকর্তা মিজানের অপেশাদার আচরণে ক্ষোভ শার্শার বাগআঁচড়া থেকে দুই মোটরসাইকেল থেকে ২৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, আটক ১ শার্শায় সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বাগআঁচড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মাছ চুরিতে বাধা দেওয়া বাবা-ছেলেকে কু*পি*য়ে জখমের অভিযোগ

মাছ চুরিতে বাধা দেওয়া বাবা-ছেলেকে কু*পি*য়ে জখমের অভিযোগ

Reporter Name / ১০৬ Time View
Update Time : রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
Oplus_16908288

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মাছের ঘেরে মাছ চুরিতে বাধা দেওয়ায় এক বৃদ্ধ ও তাঁর ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত এক যুবকের পকেট থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পূর্বকোটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে পূর্বকোটা গ্রামের এমদাদুলের মাছের ঘেরে অভিযুক্তরা মাছ ধরার জন্য জাল পাতছিলেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে এমদাদুলের বাবা হযরত আলী (৬২) সেখানে গিয়ে ঘেরে জাল পাতার কারণ জানতে চান। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা হযরত আলীকে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মাছের মাছ চুরিতে বাধা দেওয়া বাবা-ছেলেকে কু*পি*য়ে জখমের অভিযোগ

অভিযোগে আরও বলা হয়, গালিগালাজ করতে নিষেধ করায় একপর্যায়ে তৃতীয় অভিযুক্ত মো. ওবায়দুলের নির্দেশে প্রথম অভিযুক্ত মো. অহেদুজ্জামান ধারালো দা দিয়ে হযরত আলীর মাথায় কোপ দেন। এতে তাঁর মাথার দুই পাশে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।

বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাঁর ছেলে একরামুল (৩২)-কেও লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথায় কাটা ও রক্তাক্ত জখম হয়। পরে মারধরের একপর্যায়ে একরামুলের পকেটে থাকা ১০ হাজার টাকা দ্বিতীয় অভিযুক্ত রাশেদুজ্জামান নাসিম নিয়ে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

হযরত আলীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। পরে এমদাদুল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত বাবা ও ভাইকে উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাঁরা সেখানে চিকিৎসা নেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ঘটনায় এমদাদুল বাদী হয়ে মো. অহেদুজ্জামান (৩৭), রাশেদুজ্জামান নাসিম (২৩) ও মো. ওবায়দুল (৪৫)-এর নাম উল্লেখ করে কলারোয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা করেছে। মামলার পর অভিযুক্তরা এখনো অধরা রয়েছেন বলে জানা গেছে।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান রিমু বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *