সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
বেনাপোল বন্দরে কাগজপত্রবিহীন ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক জব্দ,চালক পুলিশের হাতে মাদককে না বলি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’ স্লোগানে শার্শার মাদকবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা স্বেচ্ছাসেবক দলের বেনাপোল কাস্টমস থেকে পণ্য পাচারের অভিযোগে কাস্টমস কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ৩ বেনাপোল বন্দরে বৃক্ষরোপন কর্মসুচীর উদ্বোধন যশোরে ৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকার স্বর্ণের চালান জব্দ, ২ জন আটক বেনাপোলে দুই ভাইয়ের সম্পত্তি জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন বেনাপোলে আলোকিত নারী উন্নয়ন সংস্থা সহযোগিতা করছে ৫ শতাধিক নারীকে শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ যুবক আটক শার্শায় বিয়ের আশ্বাসে প্রেমের সম্পর্ক, পরে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক

স্বাধীনতার পর প্রথমবার নির্বাচনে তিনদিন বন্ধ বেনাপোল বন্দর

Reporter Name / ১০৩ Time View
Update Time : সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

বেনাপোল প্রতিনিধি: ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো জাতীয় নির্বাচনে বেনাপোল স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ থাকছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে তিন দিন আমদানি–রপ্তানি এবং একদিন যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

বন্দর ও ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা তিন দিন এ স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। নির্বাচন শেষে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনরায় বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসেবে বেনাপোলে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি–রপ্তানি হয়। ফলে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই কার্যক্রমে এই সাময়িক বিরতি।

 

এদিকে ভোটগ্রহণের সময় নিরাপত্তা জোরদার করতে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা বাংলাদেশ–ভারত রুটে যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এ সময় কেউ এই পথে দেশে প্রবেশ বা দেশত্যাগ করতে পারবেন না।

 

ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি আগেই ট্রাভেল এজেন্সি, পরিবহন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও যাত্রীদের জানানো হয়েছে, যাতে তারা প্রয়োজনীয় সমন্বয় করতে পারেন। নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হলে নিয়ম অনুযায়ী আবারও পারাপার শুরু হবে।

 

জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে বন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য যাত্রী ও ব্যবসায়ীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যেই বন্দর ও ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হবে।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *