বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
শার্শার ত্রিমোহনী মাদকের স্বর্গরাজ্য মামলার আসামি বাবা ছেলে শার্শা উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতির রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত শার্শায় চোর সন্দেহে আটক ৬ জন আদালতে শার্শায় ৫০ পিস ইয়াবাহ গ্রেপ্তার ১ হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির কেন আমাদের পাহারা দিতে হবে? বাংলাদেশ সবার -জাহাঙ্গীর হোসেন কাগজপুকুর-কাগমার সড়কের দুর্ভোগ দ্রুত দূর করতে চাই—ইমদাদুল হক ইমদা ঝিকরগাছায় ২ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ বেনাপোলে ব্যবসায়ী সংগঠন দখলে মনগড়া কমিটি গঠনের অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে বাগআঁচড়ার সামটা টেংরা একাদশের খেলোয়াড়দের জার্সিউপহার দিলেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হোসেন স্ক্যানিং পয়েন্টে অসুস্থ যাত্রীদের মানসিক ও শারীরিক নিপীড়ন: কাস্টমস কর্মকর্তা মিজানের অপেশাদার আচরণে ক্ষোভ

সাতমাইল পশুহাটে দর পত্রের ধস নামাতে সিন্ডিকেটের বাধা,নিজেদের পকেট ভরাতে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

Reporter Name / ৪৭৫ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন

যশোর প্রতিনিধিঃ
যশোরের শার্শা উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের সর্ব বৃহৎ সাতমাইল পশুহাটে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে এবারও সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে ১ম হাট গত মঙ্গলবার বিক্রি হওয়া গরু এক জায়গাই করে রেখে স্থানিয় একটি সিন্ডিকেটের বাহিনীর সদস্যরা পাশ বিহীন নগদ টাকা নিয়ে বের করে দিয়ে সরকারি রাজস্ব আদায় কম রাখতে চেয়েছিল। ১ম হাটে ব‍্যার্থ হওয়ায় ২য় হাটে গরু ওঠা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাটটি দীর্ঘদিন ধরেই ইজারা জটিলতায় রয়েছে। অতীতে প্রভাবশালী মহল ইজারা ছাড়াই নামমাত্র চর ভাগের এক ভাগ টাকা জমা দিয়ে খাস আদায় করত। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও একটি সিন্ডিকেট হাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রশাসন একাধিকবার দরপত্র আহ্বান করেও হাটটি ইজারা দিতে পারেনি। সর্বশেষ প্রশাসন নিজ উদ্যোগে খাস আদায় শুরু করলে শনিবার হাটে গরু ওঠা বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার বেলতলা, ঝিকরগাছা, নাভারণ,জামতলা ও শংকরপুর এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে পশুবাহী যানবাহন আটকে দেওয়া হয়। ব‍্যপারি যেন হাটে না আসে তাদেরকে মুঠো ফোনে নিষেধ করা হয়। ফলে হাটে কার্যত বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে বাধা সত্ত্বেও প্রশাসন ওইদিন প্রায় ৬০ হাজার টাকা খাস আদায় করতে সক্ষম হয়। এর আগে ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) হাটের প্রথম দিনে ৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। হাটে আসা গরু ব্যবসায়ী দেলোয়ার হসেন বলেন, “না জেনে দুটি গরু নিয়ে হাটে এসেছিলাম। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় বিক্রি করতে পারিনি। যাতায়াত ও খাওয়াসহ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়েছে।” আরেক বিক্রেতা খলিলুর রহমান ও একই ধরনের ক্ষতির কথা জানান।
হাটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম নূরুজ্জামান বলেন, সকালে কে বা কারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে গরু ওঠা বন্ধ করে দেয়, যার কারণে হাটে বেচাকেনা হয়নি।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ জানান, টেন্ডার না হওয়ায় প্রশাসন খাস আদায় করছে। তবে দ্বিতীয় দিনের হাটে একটি প্রভাবশালী মহল সিন্ডিকেট করে পরিস্থিতি অচল করে দেয়। তিনি বলেন, “সরকারের রাজস্বের ব্যাপারে কোনো আপোষ নেই। কেউ নিয়ম অনুযায়ী ইজারা নিতে চাইলে তা বিবেচনা করা হবে।” সাতমাইল পশুহাটে সপ্তাহে দুই দিন—শনিবার ও মঙ্গলবার—হাজার হাজার গরু, মহিষ ও ছাগল বেচাকেনা হয়। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি হাটে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব।

Spread the love


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *